শিরোনাম
সাত বছর পরও চার আসামি পলাতক, চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আবরার হত্যা মামলা *** দেশের ৮৬ হাজারের বেশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সম্মানি পাবেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় ব্যক্তি *** উপযোগী প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও সংস্কৃতি *** ডিএসসিসির ১৬৮ পূজা মণ্ডপে ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা অনুদান *** দূরবর্তী ও বাদপড়া শিশুদের খুঁজে টিকা দেবে সরকার ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা কিম মিন-সক| |ক্রেডিট : ছবি: সংগৃহীত

উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক নীতিতে পরিবর্তনের আশঙ্কায় নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগে গুরুত্ব দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি মনে করছে, ওয়াশিংটনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা দেশের নিরাপত্তার জন্য ভবিষ্যতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সোমবার সংসদে ক্ষমতাসীন দলের নেতা কিম মিন-সক বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আচরণ আগের অবস্থান থেকে বদলে গেছে। তাঁর ভাষায়, ওয়াশিংটন এখন আর ‘দয়ালু বড় ভাই’ নয়; বরং নিজেদের স্বার্থকে সামনে রেখে কঠোরভাবে দরকষাকষি করছে। কিম মিন-সক বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে দক্ষিণ কোরিয়াকে নিজস্ব সামরিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। এর মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। এসব মহড়ার ব্যয় বেশি এবং উত্তর কোরিয়াকে তা অপ্রয়োজনীয়ভাবে উসকে দেয়—এমন যুক্তি দিয়েছেন ট্রাম্প। সিউলের উদ্বেগ হলো, ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে কোনো সমঝোতা হলে তাতে উত্তর কোরিয়ার বিদ্যমান পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংসের বিষয়টি নাও থাকতে পারে। বরং নতুন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার মতো সীমিত কোনো চুক্তিতেও যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দক্ষিণ কোরিয়া। এমন সম্ভাবনা সামনে রেখে ডেমোক্রেটিক পার্টি বলছে, উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আকস্মিক সমঝোতা হলেও দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা যাতে দুর্বল না হয়, সে জন্য নিজস্ব প্রতিরক্ষা কাঠামো আরও শক্তিশালী করা জরুরি। তবে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা বা সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ অনুসন্ধানের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে দলটি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি





মন্তব্য