শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** চীনে এআই ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে *** সিরামিক শিল্পের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান *** বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারেই চমক, নিউক্লিয়ার অলিম্পিয়াডে চীনের ৪ পদক *** ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রতিরক্ষা বলয়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের কৌশলগত জোট ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


৩ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:রাজধানীর একটি হোটেলে ফ্রেন্ডশিপ ও কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের যৌথ অনুষ্ঠিন ।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

উপকূল রক্ষায় প্রকৃতি-নির্ভর উন্নয়ন কৌশলের বিকল্প নেই: প্রতিমন্ত্রী

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় উপকূলীয় অঞ্চলে প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে উপকূলীয় মানুষের জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও জলবায়ু সহনশীলতা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। রাজধানীর একটি হোটেলে ফ্রেন্ডশিপ ও কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘Prioritizing Nature-Based Interventions for Resilient Coastal Bangladesh’ শীর্ষক জাতীয় কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বনাঞ্চল, জলাভূমি, উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী এবং কৃষি-বনায়নভিত্তিক সমন্বিত ব্যবস্থা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি প্রাণিসম্পদের খাদ্যসংস্থান ও স্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে মানবস্বাস্থ্য, প্রাণিস্বাস্থ্য ও পরিবেশের সমন্বিত ওয়ান হেলথ ধারণা বাস্তবায়নেও এসব উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা এবং উপকূলীয় ভাঙনের মতো জলবায়ুজনিত দুর্যোগ দেশের উপকূলীয় অর্থনীতি ও খাদ্যব্যবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা নিরাপদ রাখতে টেকসই ও প্রকৃতি-সম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনার বিকল্প নেই। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ দুটি খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলের বহু পরিবার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। দুর্যোগের সময় এসব প্রাণিসম্পদই অনেক পরিবারের প্রধান অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত হয়। তিনি জানান, সরকার তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা, প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে কাজ করছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি পরিবেশ পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কর্মশালায় ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান, সাবেক সচিব ড. মো. ফরিদুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ মালহোত্রাসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। তারা প্রকৃতিভিত্তিক উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু অভিযোজন কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন।





মন্তব্য