শিরোনাম
সিএমজি-ফুচিয়ান যৌথ প্ল্যাটফর্মে বৈশ্বিক প্রচারের নতুন গতি *** বিশ্ব অর্থনৈতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে গ্লোবাল শাসন সংলাপে চীনা প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান *** মাস্কের সমালোচনায় নতুন বিতর্ক :পাশে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন *** আলতাই–উরুমছি–চিলিন: তুষার ছুটিতে পর্যটনে উচ্ছাস *** সি চিন পিংয়ের উন্নয়ন চিন্তা গ্লোবাল সাউথকে নতুন দিশা দেবে: অতিথিদের অভিমত ***




↠নিজস্ব প্রতিবেদক


২৯ জুলাই, ২০২৫

স্বদেশ › জাতীয়

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:মাহফুজ আলম ও মাহবুব আলম| |ক্রেডিট : সিডনি বাংলা নিউজ

উপদেস্টা মাহফুজ আলমের ভাইয়ের দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য প্রমান পাওয়া যায়নি

উপদেস্টা মাহফুজ আলমের ভাই, মাহবুব আলম এর একাউন্টে সিডনিতে ৬ কোটি টাকা ট্রানজিকশনের যে তথ্য বাংলাদেশের মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে তার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। আজকে বাংলাদেশের নিউজ মিডিয়ায় মাহফুজ আলমের ভাই, মাহবুব আলম, যিনি অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে থাকেন , তাকে উদ্দেশ্য করে অসত্য প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়। বলা হয় তার অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ ব্যাংকের একাউন্টে মিডেল ইস্ট থেকে ৬ কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। নিউজের রেফারেন্স হচ্ছেন, ইউটিউবার বনী আমীন। তিনি যেই রেফারেন্স উল্লেখ করেছেন, AUSTRAC , Australian Transaction Reports and Analysis Centre এমন কোনো তথ্য কোথাও পাবলিশ করেনি। অফিশিয়াললি সিডনি বাংলা নিউজ থেকে তাদের কাছে এই ঘটনার সত্যতা জানতে চাওয়া হয়েছিলো। AUSTRAC জানিয়েছে তারা কোনো পার্সোনাল তথ্য শেয়ার করেনা হ্যা বলেনা, না ও বলেনা সুতরাং AUSTRAC এর রেফারেন্স ভুল। মাহবুব আলম সিডনিতে উলংগন ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলেন । কিন্তু ৫ আগস্টের পরে তিনি দেশে চলে যান। সিডনিতে তিনি নিয়মিত থাকেন না । তিনি নিয়মিত ট্যাক্সি চালান বা চালাতেন, এই তথ্যও সঠিক না। এক ফেসবুক পোস্টে মাহবুব আলম লেখেন, একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে আমার বিরুদ্ধে আর্থিক অস্বচ্ছতার গুজব ছড়ানো হচ্ছে। বনি আমিন নামক ব্যক্তি ও কিছু মিডিয়ার প্রচারিত তথ্য আসলে মিথ্যা বৈ কিছু নয়। তিনি বলেন, আমি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলাম। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাকাউন্টটি ২০২৩ সাল থেকে খোলা। আমার অ্যাকাউন্টটি এখনো সচল আছে। আমার অ্যাকাউন্টের গত ছয় মাসের বিবরণী এখানে দেওয়া হলো। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাকাউন্টে লেনদেনের অভিযোগের জবাব দিলেন মাহবুব আলম ‘সিডনিতে সাড়ে ৬ কোটি টাকার লেনদেন’, বনি আমিনের ফেসবুক পোস্ট মাহির বলেন, আমার ভাই মাহফুজ আলমের পক্ষ থেকে কোনো তদবিরের কাজ আমি করিনি। কাউকে সে আজ পর্যন্ত করতেও দেয়নি। আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যবসায় বাদে আমার কিংবা আমাদের পরিবারের কোনো আর্থিক লেনদেনের ইতিহাস নেই। আমাদের পরিবার গত ৩০ বছর ধরে ব্যবসায় জড়িত। আমার বাবা গত ১৬ বছর লীগের নিপীড়নের কারণে ঠিকমতো ব্যবসায় করতেই পারেননি। আমার বাবার ও মাহফুজের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক উদ্যোগগুলো আমি ও আমার বাবা পরিচালনা করছি। এখানে কোনো অস্পষ্টতা নেই। সবই বাংলাদেশের আইন দ্বারা সিদ্ধ এবং পাবলিক ইনফরমেশন। মাহির আরও বলেন, গত নভেম্বরে দেশে ফিরে (অস্ট্রেলিয়া থেকে) আসার পর থেকে অনেক তদবির আসলেও মাহফুজ কোনো কাজই করেনি। বরং, আমাদের পরিবারের সব সদস্যদের স্পষ্ট নিষেধ করা আছে, যাতে কোনো তদবির তাকে না করা হয়। তার বা আমার বিরুদ্ধে আর্থিক অসংগতি কিংবা তদবির বাণিজ্যের কোনো প্রমাণ আজও কেউ দিতে পারেনি, পারবেও না। কারণ, আমরা করিনি। বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাহির তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ক্ষমা চাইতে হবে। আমি অস্ট্রেলিয়ার আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলছি। প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেব। এর আগে সোমবার ‘সিডনিতে সাড়ে ৬ কোটি টাকার লেনদেন!’ শিরোনামে সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট বনি আমিন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টে তিনি লেখেন, নবপ্রজন্মের আন্দোলনের মহানায়ক হিসেবে পরিচিত মাহফুজ, যার প্রতি অনেকেই ভরসা রেখেছিলেন, তার নাম এখন একটি বিতর্কের কেন্দ্রে। জন্মদেশের বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান, মাহফুজের নামের পাশে আজ যোগ হচ্ছে বিতর্ক, ঠিক যেমনভাবে কিছুদিন আগে আলোচনায় এসেছিল হাতিয়ার হান্নান মাসুদ ও ‘ধরা খাওয়া’ সমন্বয়ক রিয়াদ। নোয়াখালীর গৌরবময় ইতিহাস ও মর্যাদার প্রতি এই অব্যবহার আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তোলে। পোস্টে তিনি লেখেন, জানা গেছে—মাহফুজের আপন বড় ভাই অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করে। উচ্চতর লেখাপড়ার পাশাপাশি এখানে সে পার্টটাইম একজন নিবেদিত যাত্রী সেবক, বাংলায় বলা হয় ‘ট্যাক্সি ড্রাইভার’। মাহফুজের বিভিন্ন লবিং ও ফাইলিংয়ের কমিশনের অর্থ অস্ট্রেলিয়াতে তার স্টুডেন্ট ভাইয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছিল দীর্ঘ ৯ মাস ধরেই (Commonwealth Bank of Australia), গত ২৪/০৭/২০২৫ মিডল ইস্ট থেকে একটি সাড়ে ছয় কোটি টাকার লেনদেন অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার (AUSTRAC) নজরে আসে। অস্বাভাবিক আর্থিক এই কার্যকলাপের দায়ে তার ভাইয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি জব্দ করা হয়। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন, তাই বিস্তারিত আপাতত চেপে যেতে হচ্ছে।

News Picture

image : ব্যাংক স্টেট্মেন্ট | credit : সংগৃহীত






মন্তব্য