শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, রামপালে ৪৬০ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পের উদ্যোগ *** বন্ধ পত্রিকা চালুর তাগিদ, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির *** এসআরবি বিল সংসদে তোলার সুপারিশ, র‌্যাবের জনবল-অবকাঠামো কাজে লাগানোর তাগিদ *** গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি *** ডেঙ্গুতে এক দিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ১,৫৭১ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১৬ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:১৪ মে ২০২৬ নিউইয়র্কে জাতিসংঘের রাজনৈতিক, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি-এর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের অবস্থান ও অঙ্গীকার| |ক্রেডিট : ছবি:মন্ত্রণালয়

টেকসই উন্নয়ন ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ১৪ মে ২০২৬ নিউইয়র্কে জাতিসংঘের রাজনৈতিক, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি-এর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অঙ্গীকার তুলে ধরেন। বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরে জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সরকার সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সামাজিক-অর্থনৈতিক ঝুঁকি ও দুর্বলতা মোকাবিলায় “ফ্যামিলি কার্ড” এবং “ফার্মার্স কার্ড” কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরে চলমান তারল্য সংকটের মধ্যেও শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট অক্ষুণ্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে মহিলা ও তরুণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই এ সংকটের একমাত্র কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। তিনি তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন। সহকারী মহাসচিব খিয়ারি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদান এবং শান্তি ও নিরাপত্তা উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।





মন্তব্য