শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, রামপালে ৪৬০ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পের উদ্যোগ *** বন্ধ পত্রিকা চালুর তাগিদ, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির *** এসআরবি বিল সংসদে তোলার সুপারিশ, র‌্যাবের জনবল-অবকাঠামো কাজে লাগানোর তাগিদ *** গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি *** ডেঙ্গুতে এক দিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ১,৫৭১ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৭ আগস্ট, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:জাপানের দিকে ধেয়ে আসছে টাইফুন ডলফিন| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

টাইফুন ‘ডলফিন’ ঘিরে জাপানে জরুরি প্রস্তুতি,সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখো মানুষ

জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া ক্যাটাগরি-১ শক্তির টাইফুন **‘ডলফিন’**কে ঘিরে দেশজুড়ে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টি, ঝোড়ো বাতাস, সাগর উত্তাল হওয়া এবং ভূমিধসের আশঙ্কায় স্থানীয় প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে আড়াই লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। জাপান আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছে বাতাসের স্থায়ী গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার, আর দমকা হাওয়ার গতি প্রায় ১৯৮ কিলোমিটার। টাইফুনটি ওকিনাওয়া ও কাগোশিমা অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়ায় সেখানে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাইফুনের সঙ্গে যুক্ত শক্তিশালী বৃষ্টিপাতের ব্যান্ড ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। ফলে স্থানীয় প্রশাসন নিচু এলাকা ও পাহাড়ি অঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিমান চলাচলেও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। দেশজুড়ে প্রায় ৫০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে টয়োটা মোটর করপোরেশন তাদের নয়টি উৎপাদন কারখানার কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রবল বাতাসে ঘরবাড়ি, বিদ্যুৎ অবকাঠামো ও অন্যান্য স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। টাইফুনের প্রভাব ইতোমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান দ্বীপ কিউশুতে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে কুমামোতো এলাকায় উদ্বেগ বেশি, কারণ সম্প্রতি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এ অঞ্চলে এখনও প্রায় সাত হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। এর মধ্যে আবার ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রার পূর্বাভাস থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানজুড়ে উদ্ধারকারী দল, দমকল বাহিনী ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সূত্র: জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ)





মন্তব্য