শিরোনাম
বর্তমান সরকার সুনীল অর্থনীতির সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম *** বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী সঠিক প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** রাঙামাটিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কর্মসূচির ঝাঁকুনি, ভূমিহীনদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


২৭ নভেম্বর, ২০২৫

আন্তর্জাতিক › কূটনৈতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:টেলিফোন| |ক্রেডিট : সিএমজি:

তাইওয়ানের গুরুত্ব যুক্তরাষ্ট্র বোঝে:ট্রাম্প

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেইজিং সময় ২৩ নভেম্বর, (সোমবার) রাতে, ফোনে কথা বলেন। এ সময় সি চিন পিং বলেন, “গত মাসে আমরা দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে বৈঠক করি এবং বিভিন্ন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্যে পৌঁছাই, যা চীন-মার্কিন সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন চালিকাশক্তি যুগিয়েছে এবং বিশ্বের কাছে ইতিবাচক সংকেত পাঠিয়েছে। বুসান বৈঠকের পর থেকে চীন-মার্কিন সম্পর্ক মূলত স্থিতিশীল আছে ও তা ভালোর দিকে যাচ্ছে এবং দু’দেশ ও আন্তর্জাতিক সমাজ এ প্রবণতাকে স্বাগত জানিয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় যে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করলে উভয়ের লাভ এবং লড়াই করলে উভয়েরই ক্ষতি। চীন ও যুক্তরাষ্ট্র পরস্পরকে সাফল্য ও সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করতে পারে, যা একটি বাস্তবতা। দু’পক্ষের উচিত, এ প্রবণতা বজায় রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া; সাম্য এবং পারস্পরিক সম্মান ও কল্যাণের ভিত্তিতে, সহযোগিতা বাড়ানো ও সমস্যা কমানো, আর অগ্রগতি অর্জন করা; এবং দু’দেশের মানুষ ও বিশ্বের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনা।” ফোনালাপে তাইওয়ান ইস্যুতে সি চিন পিং চীনের অবস্থান আবারও তুলে ধরে বলেন, চীনের কোলে তাইওয়ানের প্রত্যাবর্তন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ফ্যাসিবাদ ও সামরিকবাদের বিরুদ্ধে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র একসময় একসাথে লড়াই করেছিল এবং দু’পক্ষের উচিত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অর্জনকে রক্ষা করা। জবাবে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মহান একজন নেতা এবং বুসানে দু’জনের বৈঠক ছিল মনোরম। দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রেসিডেন্ট সি’র সাথে তিনি সম্পূর্ণ একমত হন। ট্রাম্প বলেন, বুসান বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য বাস্তবায়ন করছে দু’পক্ষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ে চীন বড় অবদান রেখেছে এবং চীনের কাছে তাইওয়ান ইস্যুর গুরুত্ব আমেরিকা বোঝে। এ সময় দু’নেতা ইউক্রেন সংকট নিয়েও কথা বলেন। সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, শান্তি অর্জনের সকল প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে চীন এবং আশা করা যায়, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো মতভেদ কমিয়ে যত দ্রুত সম্ভব একটি ন্যায্য, স্থায়ী ও কার্যকর চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিদ্যমান সংকটের সমাধান করবে। সূত্র:শিশির-আলিম-মুক্তা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।





মন্তব্য