১২ আগস্ট, ২০২৬
আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

চিত্র:সূর্য–চাঁদ–পৃথিবী একই সরলরেখায়, আজ দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট
আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিরল এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্বের মানুষ। সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করায় সৃষ্টি হবে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। ২০২৪ সালের এপ্রিলের পর এবারই প্রথম পৃথিবীবাসী আবারও পূর্ণ সূর্যগ্রহণের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগের সুযোগ পাচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে। স্পেন, আইসল্যান্ড, গ্রিনল্যান্ড, রাশিয়া ও পর্তুগালের পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি এলাকাতেও গ্রহণটি দৃশ্যমান হবে। ১৯৯৯ সালের পর এই প্রথম ইউরোপের মূল ভূখণ্ড থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ প্রত্যক্ষ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য দেখতে ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটক, জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং আকাশ পর্যবেক্ষণপ্রেমীরা গ্রহণপথের বিভিন্ন স্থানে জড়ো হয়েছেন। তবে কয়েকটি অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় গ্রহণ দেখার ক্ষেত্রে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ সময় বুধবার (১২ আগস্ট) রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে সূর্যগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা। পূর্ণগ্রাস পর্যায় স্থায়ী হবে প্রায় ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড। পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে সূর্যের আলো সম্পূর্ণভাবে আড়াল করে দেয়। পৃথিবী থেকে চাঁদ ও সূর্যের আপাত আকার প্রায় সমান হওয়ায় নির্দিষ্ট অবস্থানে সূর্যের পুরো চাকতি চাঁদের আড়ালে ঢাকা পড়ে এবং সৃষ্টি হয় পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর পৃথিবীর কোথাও না কোথাও দুই থেকে পাঁচটি সূর্যগ্রহণ ঘটে। তবে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ তুলনামূলকভাবে বিরল। গড়ে প্রতি দেড় বছর পর পৃথিবীর কোনো একটি অঞ্চল থেকে এ দৃশ্য দেখা যায় এবং এক শতাব্দীতে গড়ে প্রায় ৬৬টি পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন, অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ ধরনের বিরল মহাজাগতিক ঘটনা সাধারণ মানুষের পাশাপাশি গবেষকদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি করে। সূত্র: নাসা
মন্তব্য:০