২৬ জুন, ২০২৬
আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

চিত্র:প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ| |ক্রেডিট : ছবি: সংগৃহীত
প্রাথমিক শিক্ষায় শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা আরও বিস্তৃত করতে সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলাসহ সৃজনশীল বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও কারিগরি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ আয়োজিত রবীন্দ্র-নজরুল উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার নতুন কারিকুলামে সাংস্কৃতিক শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে শিশুরা আবৃত্তি, কেরাত, বক্তৃতা, সংগীত, নৃত্য, নাটক এবং অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। তিনি বলেন, এটি কোনো বিতর্কের বিষয় নয়; বরং শিশুদের সৃজনশীল, নৈতিক ও মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, শিশুদের প্রতিভা ও আগ্রহ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে। কেউ সংগীতে, কেউ আবৃত্তিতে, কেউ নাটক বা চিত্রকলায় নিজেকে প্রকাশ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাই প্রতিটি শিক্ষার্থীকে তার পছন্দ অনুযায়ী বিকাশের সুযোগ করে দেওয়া প্রয়োজন। ববি হাজ্জাজ জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দক্ষ সাংস্কৃতিক শিক্ষকের চাহিদা পূরণে সংগীত, চারুকলা ও নাট্যকলায় স্নাতক ডিগ্রিধারীদের শিক্ষকতায় যুক্ত করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কাজ করছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে প্রাথমিক শিক্ষায় শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও কার্যকর হবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা নয়, বরং সৃজনশীল ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. অণিমা রায়ের সভাপতিত্বে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
মন্তব্য:০