শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান নিয়ে চলছে সমীক্ষা, সিদ্ধান্ত পরে *** ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ৬৭২ *** মাতারবাড়ীতে বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


১৫ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:এমবাপ্পে।সংগৃহীত| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

স্পেনের কাছে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় ফ্রান্স

ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে টানা তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙেছে ফ্রান্সের। ম্যাচ শেষে দলের ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন, স্পেনের বিপক্ষে কৌশলগত দিক থেকেও পিছিয়ে ছিল তার দল। বুধবার (১৫ জুলাই) দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ডালাসে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে শুরু থেকেই মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখে স্পেন। রদ্রি ও ফাবিয়ান রুইজের দারুণ সমন্বয় এবং বল নিয়ন্ত্রণের সামনে ফ্রান্সের মিডফিল্ড কার্যত অসহায় হয়ে পড়ে। ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে বলেন, স্পেন মাঝমাঠে সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা দুইজনের বিপরীতে তিনজন ছিলাম। স্পেনের মতো দলের বিপক্ষে এটি খুব কঠিন। রদ্রি ও ফাবিয়ান রুইজ অনেক সময় এবং জায়গা পেয়েছে। আমাদের প্রেসিংয়ে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল। আমার মনে হয়, ম্যান-টু-ম্যান প্রেসিং করলে তাদের আরও বেশি চাপে রাখা যেত।” ফরাসি অধিনায়ক আরও বলেন, দল যে পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল, সেটি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। তার ভাষায়, “প্রযুক্তিগত কিংবা কৌশলগত—কোনো দিক থেকেই আমরা নিজেদের পরিকল্পনা কার্যকর করতে পারিনি। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের মতো ম্যাচে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না করতে পারলে জয় পাওয়া সম্ভব নয়।” চলতি বিশ্বকাপে প্রথম ছয় ম্যাচে ১৬ গোল করা ফ্রান্সের আক্রমণভাগও এদিন স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়। ম্যাচের ২২ মিনিটে লুকাস দিগনের করা ফাউল থেকে পেনাল্টি পায় স্পেন। সেখান থেকে মিকেল ওয়ারজাবাল গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পেদ্রো পোরোর দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান ২-০ হয় এবং ফ্রান্সের প্রত্যাবর্তনের আশা অনেকটাই শেষ হয়ে যায়। ম্যাচের মোড় ঘোরাতে দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকটি পরিবর্তন আনেন কোচ দিদিয়ের দেশম। আদ্রিয়েন রাবিওটের পরিবর্তে দেজিরে দুয়ে এবং পরে রায়ান শেরকিকে নামানো হলেও তাতে ম্যাচের চিত্র বদলায়নি। অধিনায়ক হিসেবে হারের দায় স্বীকার করে এমবাপ্পে বলেন, “আমি দলের অধিনায়ক। তাই এই পরাজয়ের দায় আমি নিজের কাঁধেই নিচ্ছি। আমরা ফাইনালে যেতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সেটা করতে পারিনি।” বদলি হিসেবে মাঠে নামা রায়ান শেরকিও স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নেন। তিনি বলেন, প্রতিটি বিভাগেই স্পেন ভালো খেলেছে এবং জয়ের ক্ষুধাও তাদের বেশি ছিল। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, ফ্রান্সের দল আরও শক্তিশালীভাবে ফিরে আসবে। শেরকি আরও বলেন, “প্রযুক্তিগত, কৌশলগত ও মানসিক—সব দিক থেকেই আমরা পিছিয়ে ছিলাম। আজ আমাদের খেলায় কিছুই ঠিক হয়নি। চার বছর পর আমরা আবার ফিরব এবং একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করব না।” বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হলেও ব্যক্তিগত অর্জনের সুযোগ এখনও রয়েছে এমবাপ্পের সামনে। বর্তমানে আট গোল নিয়ে তিনি আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে শীর্ষে রয়েছেন। আগামী শনিবার রাতে মায়ামি গার্ডেন্সে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামবে ফ্রান্স। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের পরাজিত দল। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।





মন্তব্য