শিরোনাম
ওরা জেগেছিল একটি অমৃত গানে *** রাশিয়ার দুটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার দাবি *** জেদ্দায় সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি আজ *** থাইল্যান্ডের স্কুলে শিক্ষার্থীর গুলিতে ৭ জন নিহত *** টাইফুন ‘ডলফিন’ ঘিরে জাপানে জরুরি প্রস্তুতি,সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখো মানুষ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


৪ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ বিষয়ে আয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের মতবিনিময় সভা ।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

দেশে দূষণ নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিচ্ছিন্ন কর্মসূচি নয়, বরং সমন্বিত ও পরিকল্পিত পদক্ষেপের মাধ্যমেই পরিবেশগত সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব। মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ বিষয়ে আয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, পরিবেশ দূষণ বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। দ্রুত নগরায়ন, অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদ-নদী ও জলাশয়ে বর্জ্য ফেলা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার পরিবেশের ওপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করছে। এসব সমস্যা কার্যকরভাবে মোকাবিলায় সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলা এবং ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে বিকল্প পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ চলমান রয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি সফলতা অর্জনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। মতবিনিময় সভায় পানি দূষণ, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদ-নদী সংরক্ষণ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার সীমিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বক্তারা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, পানি ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। সভায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরীসহ স্থানীয় সরকার বিভাগ, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, দুই সিটি কর্পোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস





মন্তব্য