শিরোনাম
‘ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের আগামীর পথ: কৌশলগত পুনর্বিন্যাসের সময়’ *** ‘তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠান: ভারতের যোগদানের সম্ভাবনা অনিশ্চিত’ *** জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন *** ‘ড. ইউনূসের রমজান বার্তা: নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা’ *** ৫১ দলের মধ্যে মাত্র ৯ দলের জয়, ৪২ দলই আসনশূন্য’ ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


২০ জানুয়ারি, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › কূটনৈতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাহামুদ আলী ইউসুফ| |ক্রেডিট : সিএমজি:

সিজিটিএন-কে এইউ কমিশনের চেয়ারম্যানের বিশেষ সাক্ষাৎকার

সম্প্রতি চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র সিজিটিএন, ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায়, আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশন (এইউসি)-র নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাহামুদ আলী ইউসুফের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল গণমাধ্যমকে দেওয়া তার প্রথম একান্ত সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চীন হলো আফ্রিকার প্রকৃত বন্ধু। যখন অন্যান্য দেশ আফ্রিকার অবকাঠামো উন্নয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোয় সহায়তা করতে অনিচ্ছুক ছিল, তখন চীন সক্রিয়ভাবে আফ্রিকাকে সহায়তা প্রদান করে। তিনি দৃঢ়ভাবে চীন-আফ্রিকা সহযোগিতার বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের বিরোধিতাও করেন। এইউ দৃঢ়ভাবে ‘এক-চীননীতি’-তে অবিচল থাকবে উল্লেখ করে ইউসুফ বলেন, আফ্রিকা ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক অভিন্ন স্বার্থ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের প্রস্তাবিত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ’ ও ‘বিশ্ব পরিচালনা প্রস্তাব’, আফ্রিকান দেশগুলোর স্বার্থের সাথে সংগতিপূর্ণ। আফ্রিকা চীনের সাথে একটি সুষ্ঠু সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তুলেছে। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে আফ্রিকা চীনের সাথে সড়ক, রেলপথ, বন্দর ও পণ্য পরিবহনসহ অবকাঠামো ক্ষেত্রের সহযোগিতা উন্নত করে আসছে। এর ভিত্তিতে আফ্রিকা চীনের সাথে জ্বালানিসম্পদ ও বিদ্যুত্ নেটওয়ার্ক নির্মাণ খাতে সহযোগিতা চালায়। এখন তারা সাংস্কৃতিক যোগাযোগ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করছে। এ ছাড়াও, আফ্রিকা চীনের সফল অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিবে, যাতে লক্ষ লক্ষ আফ্রিকানও দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে পারে। ইউসুফ বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ২০২৬ সালকে ‘চীন-আফ্রিকা মানুষে মানুষে বিনিময়ের বর্ষ’ হিসেবে মনোনীত করেছেন। চীনা ও আফ্রিকান জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা বেঁচে থাকা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেজ্য আফ্রিকা ‘চীন-আফ্রিকা মানুষে মানুষে বিনিময়ের বর্ষ’-কে স্বাগত জানায়। তিনি আরও বলেন, আফ্রিকায় ৫০টিরও বেশি দেশ আছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা। এ সব দেশ যদি ঐক্যবদ্ধ হতে পারে এবং এক জাতি হিসেবে কথা বলতে পারে, তাহলে বৈশ্বিক সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ার ওপর এই মহাদেশের গভীর প্রভাব থাকবে। আফ্রিকা চীনের মতো নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের সাথে কাজ করছে, যাতে বিশ্ব আফ্রিকার কণ্ঠস্বর শুনতে পায় এবং এর চাহিদাকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করে। সূত্র : ছাই-আলিম,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।





মন্তব্য