৩১ অক্টোবর, ২০২১
প্রবাস › জাতীয়

চিত্র:প্রশান্তিকা বইঘর| |ক্রেডিট : আরিফুর রহমানের ওয়াল থেকে
মিজানুর রহমান সুমন লকডাউনের পরে লাকেম্বায় গেছেন কিন্তু প্রশান্তিকা বইঘরে একটু ঢুঁ মেরে আসেননি সাহিত্যপ্রেমীদের মধ্যে এমন কেউ আছেন কিনা সন্দেহ। বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে এসে বাংলায় বইয়ের ভাণ্ডারের জন্য কতটা উদগ্রীব ছিলো মানুষ সেটা বুঝতে হলে যেতে হবে প্রশান্তিকা বইঘরে। সিডনিতে বাংলাদেশিদের প্রাণকেন্দ্র লাকেম্বায় খুব পরিপাটি করে সাজানো ছোট,সুন্দর ও ছিমছাম একটি বইঘর প্রশান্তিকা। শুধু প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে বলেই নয়, বইপিপাসুদের মনে প্রশান্তিও এনে দিচ্ছে প্রশান্তিকা। প্রয়োজনীয় বইটি বাংলায় পেতে কমিউনিটির পাঠকদের প্রধান অবলম্বন হয়ে উঠছে বইঘরটি। লকডাউনের পরে গত ১৮ অক্টোবর থেকে মানুষ অবাধে যেতে পারছে প্রশান্তিকা বইঘরে। সেই সুযোগে অনেকেই সেখানে যাচ্ছেন, বাংলা বই কিনছেন। পাশাপাশি একটি ছবি তুলে নিজের ওয়ালে পোস্টও করছেন। এ যেনো এক অভিনব সাংস্কৃতিক বন্ধন। নিজের সাথে বাংলার যোগসূত্র নতুন করে আবিস্কার। এ যেনো সিডনিতে বাংলা ভাষার নতুন পথচলা। এ যেনো বাংলা সংস্কৃতির সাথে বিদেশি সংস্কৃতির অভূতপূর্ব মেলবন্ধন। কিন্তু শুরুর দিকের এই আকর্ষণ সবসময় থাকবে তো? এই আশঙ্কা করতে দেখা গেছে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষীকে । কবি আরিফুর রহমান ও তার ভাই আতিকুর রহমান শুভ দু'জনই সিডনিতে খুব সজ্জন বলে পরিচিত। তাদের উদ্যোগে ও মালিকানায় শুরু হওয়া বইঘরটির জন্য শুভকামনা করেছেন সিডনির সাহিত্যপ্রেমী অনেক মানুষ। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সংগঠক ও সাংবাদিকদের বইঘরটি নিয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

image : প্রশান্তিকা বইঘর | credit : আরিফুর রহমানের ওয়াল থেকে
মন্তব্য:০