শিরোনাম
শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে জাসাসকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে : ফকির মাহবুব আনাম *** বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী আদর্শ দেশের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ ও পন্থা :ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল *** রাঙ্গামাটিকে আকর্ষণীয় নিরাপদ পর্যটন শহর গড়ে তুলতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী *** বাংলাদেশ-পাকিস্তান সামরিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা *** জাবিতে প্রক্টরিয়াল টিমকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের ***




↠নিজস্ব প্রতিবেদক


১৪ এপ্রিল, ২০২৬

কমিউনিটি › মিন্টো, সিডনি, অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি, ১ বৈশাখ,

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:অনুষ্ঠানের চিত্র| |ক্রেডিট : সিডনি বাংলা নিউজ

​সিডনির মিন্টোতে ‘জমিদার বাড়ি’তে বর্ণাঢ্য বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন

সিডনিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনকে ঘিরে গত ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) মিন্টোর জমিদার বাড়ি রেস্টুরেন্ট ও ফাংশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য বৈশাখী উৎসব। কমিউনিটির পরিচিত মুখ মাকসুদূর রহমান চৌধুরী সুমন ও তার স্ত্রী আমিনা আক্তার নিপার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। ​বৈশাখী আবহ তৈরি করতে পুরো ফাংশন সেন্টার সাজানো হয় লাল-সাদা রঙের ফেস্টুন, প্লাকার্ড ও লাল কার্পেটে। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াতের পর অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। এরপর “এসো হে বৈশাখ, এসো এসো” গানের সঙ্গে কেক কেটে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেন উপস্থিত অতিথিরা। ​সাংস্কৃতিক পর্বে দেশীয় গানের সম্রাজ্ঞী আয়শা কলির নেতৃত্বে চারু দলের প্রাণবন্ত পরিবেশনা সবাইকে মুগ্ধ করে। গান পরিবেশন করেন রত্না কার তুলী এবং কবিতা আবৃত্তি করেন কবিতা পারভেজ, কাসফি আসমা আলম ও আরমান ভূইয়া। সুরের মূর্ছনায় মেতে ওঠেন সুহৃদ সোহান, লিন্টাস পেরেরা, সালাউদ্দিন শিপলু ও নামিদ ফরহান। ​আয়োজনে খাবারের মেনুতে ছিল খাঁটি বাঙালির ঐতিহ্যের ছোঁয়া। পান্তা ভাত, ইলিশ ভাজা থেকে শুরু করে শুঁটকি ও মিষ্টি কুমড়াসহ প্রায় ১৫ ধরনের ঐতিহ্যবাহী ভর্তা দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়। ​অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ড. কাইউম পারভেজ, ড. মোহাম্মদ আলী কাজী, কেম্বেলটাউন সিটি কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী, ড. নিজাম উদ্দিন প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন ড. ওয়ালী উল ইসলাম। এছাড়া কাউন্সিলর আশিকুর রহমান এ্যশ ও এলিজা আজাদ টুম্পাসহ সিডনির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ​আয়োজক মাকসুদূর রহমান চৌধুরী সুমন জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই এই আয়োজন। এই ধরনের উৎসব প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান।





মন্তব্য