শিরোনাম
বর্তমান সরকার সুনীল অর্থনীতির সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম *** বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী সঠিক প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত *** শূন্যরেখায় আটকে মানবিক বিপর্যয়, সীমান্তে দুই দেশের টানাপোড়েন *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি ***




↠নিজস্ব প্রতিবেদক


২১ জুন, ২০২৩

প্রবাস › জাতীয়

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:মেলার চিত্র| |ক্রেডিট : নিজস্ব

সিডনির মাউন্ট ড্রোইটে অগ্রিম ঈদের আমেজ

এ যেনো চিরায়ত বাংলার পিঠাপুলির মহাসমারোহ৷ শীতের বিকেলের মিস্টি রোদে দেশি খাঁটি গুড়ের তৈরি ভাপা পিঠা৷ অতি আগ্রহে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রবাসী ললনারা৷ এক একজন সেজেছেন ঐতিহ্যবাহী বাঙালির সাজে৷ বাহারী পিঠায় চোখ চকচক করছে নতুন প্রজন্মের অতিথিদের৷ হয়তো জীবনে প্রথমবারের মতো পাটিসাপটা, নকশী কিংবা দুধচিতই একসাথে দেখছে অনেকে৷ খাওয়ার আগে ভাঙা বাংলায় নাম জিজ্ঞেস করছে৷ পিতামাতার গর্বভরা উত্তর,এই আমাদের দেশের পিঠা৷ খুব মজা না? এসব দৃশ্য দেখা গেলো ১৮ জুন মাউন্ট ড্রোইট হাবের পিঠা ও ঈদ উৎসবে৷ আয়োজক ড. নার্গিস বানু আগেই বিলেছিলেন তার লক্ষ্য নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের এই সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া৷ আর পারস্পরিক মেলবন্ধন তৈরি করা৷ সেই আকর্ষনে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছিলো সেদিন৷ আয়োজকেরা বুক ফুলিয়ে বলতেই পারেন," আমরা পেরেছি"৷ পিঠে খেয়ে পেট ভরেছে,মনও ভরেছে৷ কিন্তু পূর্ণতা পেয়েছে মেলার আমেজে৷ বাহারী গয়না,চুড়ি আর মেঘনাপাড়ের খাদি-কাতান, দেশটাকে মনে করিয়ে দিলো বারবার৷ ছোট সোনামনিরা ঘুরেফিরে বহুবার শুনলো একটি আবেগের নাম,বাংলাদেশ! নামটি সগৌরবে উচ্চারিত হলো বিদেশিদের সামনেও৷ উপস্থিত ছিলেন নিউ সাউথ ওয়েলস সংসদ সদস্য জনাব এডম্যান্ড এটালা, ব্ল্যাকটাউন কাউন্সিলের কাউন্সিলর জনাব মানিন্দর সিং, জনাব সুজান ব্যান্জামিন, জনাব লিভিংস্টন সহ কমিউনিটির অনেকে৷ কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশের হরেক রকম পিঠা, পোশাক, জুয়েলারী ও মেহেন্দিসহ বাংলাদেশী, ইন্ডিয়ান, পাকিস্তানী ও আরবিক কালচারের স্টল সাজিয়ে বিক্রেতারা যেমন আগ্রহ নিয়ে বসেছিল, তেমনি সিডনির বিভিন্ন সাবার্ব থেকে ছেলেমেয়েদের নিয়ে তরুন ও বয়স্ক সকল বয়সের মানুষের উপস্থিতি ছিল। সেরা স্টল নির্বাচনের জন্য কাউন্সিলর ব্যান্জামিন ও কাউন্সিলর লিভিংস্টন বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। এবারের "সেরা স্টল - পোশাক" ট্রফি জিতে নেয় "উয়ংস অফ ফ্যাশন" বুটিকস এবং "সেরা স্টল -ফুড" ট্রফি জিতে নেয় মিসেস নাজনিন স্নিগ্ধ। সন্ধ্যার দিকে বিজয়ীদেরকে পুরস্কার তুলে এই উৎসবের আয়োজক ভয়েস অফ বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক অষ্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা। তাছাড়াও এই উৎসবের গোল্ডেন স্পনসর ইউনিকো কন্ট্রাক্শানকে এপ্রিসিয়েশন ট্রফি দেয়া হয়। সকাল এগারটা থেকে শুরু করে রাত আটটা পর্যন্ত এই উৎসব চলে। সবশেষে স্পনসর সহ সকল স্টল মালিক ও ভলান্টিয়ার্সকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

News Picture

image : মেলার চিত্র | credit : নিজস্ব






মন্তব্য