শিরোনাম
মাস্কের সমালোচনায় নতুন বিতর্ক :পাশে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন *** আলতাই–উরুমছি–চিলিন: তুষার ছুটিতে পর্যটনে উচ্ছাস *** সি চিন পিংয়ের উন্নয়ন চিন্তা গ্লোবাল সাউথকে নতুন দিশা দেবে: অতিথিদের অভিমত *** চীনে ঐতিহাসিক জলসেচ প্রকল্প পরিদর্শনে সি-ম্যাকখোঁর কূটনৈতিক আলোচনা *** চীনা সংস্কৃতির প্রশংসা করলেন ফার্স্ট লেডি ব্রিজিট ম্যাকখোঁর ***




↠মিজানুর রহমান সুমন


৫ জুন, ২০২৩

স্বদেশ › বিদুৎ পরিস্থিতি

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:file photo| |ক্রেডিট : Sydney Bangla News

সহসাই ঠিক হচ্ছেনা বিদুৎ পরিস্থিতি

অসহনীয় গরমে নাকাল দেশবাসী। এরই মধ্যে ঘন্টার পর ঘন্টা থাকছেনা বিদুৎ। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বিদুৎ প্রতিমন্ত্রী থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত। কিন্তু আশার আলো দেখাতে পারেননি কেউই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরম অব্যাহত থাকলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। সামনে লোডশেডিংও আরও বাড়তে পারে। গ্রামাঞ্চলে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টারও বেশি লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া গেছে। দেশে এমনিতেই বিভিন্ন জেলার উপর দিয়ে প্রচণ্ড তাপদাহ বয়ে চলছে। রাজধানীতেই গতকাল দিনের বেলায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েছে। সারা দেশে গতকাল বেলা ১২টায় ৩ হাজার ৬৯৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল। ওই সময়ে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৭৫০ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ সম্ভব হয়েছে ১১ হাজার ৫২ মেগাওয়াট। ওদিকে কয়লা সংকটের কারণে আজ থেকে বন্ধ হতে যাচ্ছে পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র বলছে, কয়লা না থাকায় ২৫শে মে একটি ইউনিট বন্ধ করা হয়। পরে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বাকি একটি ইউনিট থেকে দিনে ৪৫০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। তাও ৫ই জুন থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ডলার সংকট, জ্বালানি ঘাটতি ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার প্রায় ৪৫ শতাংশ অব্যবহৃত থাকায় জুনে লোডশেডিং বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা এখন ২৭ হাজার ৩৬১ মেগাওয়াট। গ্রাহক সংখ্যা সাড়ে ৪ কোটি। বিদ্যুৎ খাত এখন যে গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছে যা প্রতিদিন ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটেরও বেশি। তবে তা অপর্যাপ্ত বলে মনে হচ্ছে। কারণ ১১ হাজার ৩৯ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিপরীতে গড়ে প্রায় ৪ হাজার ৮১৮ মেগাওয়াট গ্যাস-চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে। ফার্নেস অয়েল ও ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ৭ হাজার ১২২ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিপরীতে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ৩ হাজার ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিপরীতে প্রায় ২ হাজার ২২৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। এক হাজার ১৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিপরীতে বাংলাদেশ ভারত থেকে এক হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি হচ্ছে। দেশের ৫৫ শতাংশ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি)। বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে তারাও সব এলাকায় লোডশেডিং করতে বাধ্য হচ্ছে বলে সূত্র জানিয়েছে।





মন্তব্য