শিরোনাম
সাত বছর পরও চার আসামি পলাতক, চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আবরার হত্যা মামলা *** দেশের ৮৬ হাজারের বেশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সম্মানি পাবেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় ব্যক্তি *** উপযোগী প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত হচ্ছে আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও সংস্কৃতি *** ডিএসসিসির ১৬৮ পূজা মণ্ডপে ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা অনুদান *** দূরবর্তী ও বাদপড়া শিশুদের খুঁজে টিকা দেবে সরকার ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৩ অক্টোবর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ফ্রান্সে রাজপথে শিক্ষার্থীরা| |ক্রেডিট : রয়টার্স

শিক্ষা খাতে অর্থ বরাদ্দ ও অবকাঠামো সংস্কারের দাবিতে ফ্রান্সে রাজপথে শিক্ষার্থীরা

শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষক ও শ্রেণিকক্ষের সংকট নিরসন, জরাজীর্ণ ভবন সংস্কার এবং শিক্ষা খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। প্যারিস থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন মঁপেলিয়ে, নঁত, মার্সেইসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। সাত শতাধিক হাইস্কুলের শিক্ষার্থী এতে অংশ নিয়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) কয়েকটি শহরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দাঙ্গা পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ জানিয়েছেন, ওই দিন দেশজুড়ে ১ হাজার ৭৪৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফরাসি টেলিভিশন টিএফ-১কে দেওয়া বক্তব্যে নুনেজ বলেন, পরিস্থিতি শুধু শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন দাঙ্গা ও নগর সহিংসতার পর্যায়ে পৌঁছানোর ঝুঁকি তৈরি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও তিনি জানান। বিচারমন্ত্রী জেরার্ড দারমানিনের ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতিকে আর শুধু ‘হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ’ হিসেবে দেখা যাচ্ছে না। তার মতে, এটি ‘জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার’ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। দারমানিন জানান, সহিংসতার প্রভাবে দেশটির ৩ হাজার ৭০০টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭৩৫টি কোনো না কোনোভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে। এদিকে পুলিশ বিক্ষোভস্থল থেকে বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করেছে, যার মধ্যে পেট্রলবোমা, কুঠার ও আতশবাজিও রয়েছে বলে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্দোলনের কারণে বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে বিএফএম টিভিকে বলেন, আন্দোলনে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, বাইরের লোকজনও যুক্ত হয়েছে। ফলে শিক্ষাসংক্রান্ত দাবির আন্দোলন বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার রূপ নিয়েছে। বেলফোর শহরে শুক্রবার বিক্ষোভের সময় এক পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরকে হত্যাচেষ্টার সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিবিসির যাচাই করা দুটি ভিডিও ফুটেজে একদল তরুণকে ওই পুলিশ সদস্যকে ধাওয়া করতে দেখা যায়। পরে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাকে মাথায় একাধিকবার ঘুষি ও লাথি মারার দৃশ্যও দেখা যায়। এদিকে ফ্রান্সের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান আন্দোলনে দেশজুড়ে তাদের অন্তত ৬৫ জন কর্মী আহত হয়েছেন। প্যারিসের উপকণ্ঠ পান্তিনে পুলিশের দিকে বিভিন্ন বস্তু ছোড়ার পর পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় এবং কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। স্ট্রাসবুর্গে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়। রেন ও প্যারিসে আবর্জনার ঝুড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। ১৬ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী লোলা এএফপিকে জানায়, শুক্রবার সকালে তাদের স্কুল বন্ধ ছিল। তার দাবি, পুলিশের হস্তক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে বলেও সে জানায়।





মন্তব্য