শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** চীনে এআই ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে *** সিরামিক শিল্পের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান *** বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারেই চমক, নিউক্লিয়ার অলিম্পিয়াডে চীনের ৪ পদক *** ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রতিরক্ষা বলয়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের কৌশলগত জোট ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


৩০ জুলাই, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর তথ্য ভবন মিলনায়তনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে প্রকাশনা মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা ।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রে সত্যিকারের পরিবর্তনের আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর

বাংলাদেশের ইতিহাসে জনগণ যখনই পরিবর্তনের দাবি তুলেছে, তখনই তাদের আত্মত্যাগ করতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পেছনেই রয়েছে মানুষের রক্ত ও আত্মত্যাগ। তাই শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে রাষ্ট্র ও সমাজে সত্যিকার অর্থে ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করতে হবে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর তথ্য ভবন মিলনায়তনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে প্রকাশনা মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন এবং আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তন একটি অব্যাহত ও অনিবার্য প্রক্রিয়া। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় প্রতিটি ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য জনগণকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পর যদি পরিবর্তনের দাবিতে আবারও তরুণদের জীবন উৎসর্গ করতে হয়, তবে সেটি জাতি হিসেবে আত্মসমালোচনার বিষয়। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেখিয়ে দিয়েছে যে দেশের তরুণরাই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। শুধু সরকার পরিবর্তন করলেই হবে না; মানুষের চিন্তাভাবনা, প্রশাসনিক সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনার পদ্ধতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হবে। নিজের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরোনো মানসিকতা ও পরিবর্তনবিমুখ প্রবণতার উপস্থিতি লক্ষ্য করেছেন। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনকে আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক করে গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা তখনই রক্ষা পাবে, যখন দেশের প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা, দায়িত্বশীলতা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে কাজ করবে। প্রতিশোধের রাজনীতি নয়, বরং জাতীয় ঐক্য, সুশাসন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়েই জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন সম্ভব। সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও অর্জনকে কেন্দ্র করে কেউ যেন ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে যখনই অন্যায়-অবিচার ও শোষণ বেড়েছে, তখনই জনগণ স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। ন্যায়, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের





মন্তব্য