৫ এপ্রিল, ২০২৬
অস্ট্রেলিয়া › শায়খ আহমদুল্লাহ, অস্ট্রেলিয়া সফর,ইসলামী বক্তা

চিত্র:আহমদুল্লাহ| |ক্রেডিট : সিডনি বাংলা নিউজ
বিতর্কিত বক্তব্যের অভিযোগে মিজানুর রহমান আজহারীর পর এবার বাংলাদেশের বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমদুল্লাহর ভিসাও আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। রোববার (৫ এপ্রিল) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ইহুদিবিদ্বেষী ও উগ্রবাদী প্রচারণার অভিযোগে আজহারীকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার রেশ কাটতে না কাটতেই শায়খ আহমদুল্লাহর বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নিল ক্যানবেরা। জানা গেছে, শায়খ আহমদুল্লাহ সিডনি বিমানবন্দর দিয়ে অস্ট্রেলিয়া ত্যাগের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তাঁর ভিসা বাতিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে। অস্ট্রেলিয়ার অভিবাসন বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী ম্যাট থিসলেথওয়েট এই সিদ্ধান্তের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, যারা ইহুদিবিদ্বেষী বা ইসলামোফোবিক বক্তব্য ছড়ায়, তাদের প্রতি সরকারের কোনো সহনশীলতা নেই। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রভাবশালী গণমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ শায়খ আহমদুল্লাহর বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষী মন্তব্যের অভিযোগ এনে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল, যা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। গত ৩ এপ্রিল মেলবোর্নে আইপিডিসির (IPDC) অনুষ্ঠানে সফলভাবে বক্তব্য রাখলেও গত ৪ এপ্রিল সিডনির গ্র্যান্ড প্রোগ্রামে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি। যদিও তিনি ওইদিন সকালে সিডনি পৌঁছেছিলেন, কিন্তু ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর প্রতিবেদন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর ‘সুদ’ সংক্রান্ত বক্তব্যের তীব্র সমালোচনার মুখে তিনি সশরীরে অনুষ্ঠানে না গিয়ে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভক্তদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান। ভিসা বাতিলের ফলে তাঁর চলমান ‘লেগাসি অফ ফেইথ’ ট্যুরের ক্যানবেরা, অ্যাডিলেড এবং পার্থের নির্ধারিত সব অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। শায়খ আহমদুল্লাহ বর্তমানে বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন আলেম এবং বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথেও বিভিন্ন পরামর্শমূলক কাজে তাঁর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে এই ভিসা বাতিলের ফলে ভবিষ্যতে তাঁর অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এর আগে মিজানুর রহমান আজহারীকেও একই অভিযোগে দেশ ত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।
মন্তব্য:০