শিরোনাম
রাশিয়ার দুটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার দাবি *** জেদ্দায় সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি আজ *** থাইল্যান্ডের স্কুলে শিক্ষার্থীর গুলিতে ৭ জন নিহত *** টাইফুন ‘ডলফিন’ ঘিরে জাপানে জরুরি প্রস্তুতি,সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে লাখো মানুষ *** সিজিটিএন জরিপ: জাপানের সামরিক সম্প্রসারণে সতর্ক থাকতে চায় বিশ্ব ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


২ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ফরিদপুরে গভীর রাতে জানালা ভেঙে স্কুলছাত্রী অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

সদরপুরে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর নির্যাতিত কিশোরীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল। একই সঙ্গে তিনি পরিবারটির পাশে থাকার এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। শনিবার বিকেলে নির্যাতিত কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে সংসদ সদস্য বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার অভিযুক্তদের পরিচয় জানে এবং ঘটনাটি বহু মানুষের উপস্থিতিতেই ঘটেছে। তাই অপরাধীদের শনাক্ত ও বিচারের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে হেলাল মৃধা (২০) প্রাপ্তবয়স্ক, অপর দুইজন কিশোর। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে নির্যাতিত কিশোরীর দাদি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অস্ত্রোপচারের কারণে কিশোরীর মা ও চাচা হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন। বাড়িতে ওই কিশোরী ও তার ছোট ভাই-বোন ছিল। রাত প্রায় ১টার দিকে আট থেকে দশজনের একটি দল বাড়িটি ঘিরে ফেলে। দরজা না খোলায় তারা জানালা ভেঙে জোরপূর্বক কিশোরীকে বের করে মোটরসাইকেলে তুলে পাশের একটি গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগ অনুযায়ী, রাত প্রায় ৩টার দিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কিশোরীকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উঠানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় দুই ব্যক্তি। স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া করে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। বর্তমানে নির্যাতিত স্কুলছাত্রী ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কিশোরীর মা বলেন, শাশুড়ির অস্ত্রোপচারের কারণে তিনি হাসপাতালে ছিলেন। খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে মেয়ের শারীরিক অবস্থা দেখে তিনি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। কিশোরীর চাচার ভাষ্য, দেশীয় অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি গভীর রাতে বাড়ি ঘিরে ফেলে। প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর কিশোরীকে মারধর করে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই জুয়া, মাদকসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করছিল। অন্য এক প্রতিবেশীর দাবি, অভিযুক্তরা এলাকায় সক্রিয় একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছিল। সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন, ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পরে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে এবং অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।





মন্তব্য