শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


১১ জুলাই, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

সবুজ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় সরকার, নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেছেন, জলবায়ু সংকট এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়; এটি বাংলাদেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এ সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। শনিবার (১১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত ‘জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পরিবেশমন্ত্রী বলেন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তীব্র তাপপ্রবাহ, উপকূলীয় লবণাক্ততা এবং অন্যান্য জলবায়ুজনিত দুর্যোগ মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশকে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; পরিবেশ রক্ষাকে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নাগরিকদের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণকে কেবল সরকারি প্রকল্প হিসেবে দেখলে চলবে না। এটিকে জাতীয় সংস্কৃতিতে পরিণত করতে হবে, যেখানে তরুণ সমাজ, নাগরিক সংগঠন, গবেষক, পরিবেশবাদী প্রতিষ্ঠান এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবাই অংশীদার হবে। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় টেকসই উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব জীবনধারা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠন ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাপার সভাপতি অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সুমন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাপার সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. এম. ফিরোজ আহমেদ। অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমান, পরিবেশবিদ, গবেষক, টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূত্র: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়





মন্তব্য