শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


২৯ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:শনিবার আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের পর গুতেরেস এ আহ্বান জানান।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

সব পারমাণবিক শক্তিধর দেশকে অস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষাকে মানবতার জন্য ক্ষতিকর এবং বৈশ্বিক আস্থার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে বিশ্বের সব পারমাণবিক শক্তিধর দেশকে পরীক্ষা স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শনিবার আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের পর গুতেরেস এ আহ্বান জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, অতীতে চালানো পারমাণবিক পরীক্ষার ক্ষতিকর প্রভাবের মধ্যে যারা এখনো বসবাস করছেন, তাদের সঙ্গে এসব পরীক্ষা এক ধরনের বিশ্বাসঘাতকতার মতো। পারমাণবিক পরীক্ষার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে তিনি সব ধরনের পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। গুতেরেস একই সঙ্গে বিশ্বনেতাদের প্রতি সার্বিক পারমাণবিক পরীক্ষা নিষেধাজ্ঞা চুক্তি বা সিটিবিটি দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানান। তার মতে, পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে হলে এই চুক্তির পূর্ণ কার্যকারিতা জরুরি। এর আগে রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটি পরীক্ষা চালায়। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, প্লেসেটস্ক কসমোড্রোম থেকে উৎক্ষেপণের পর কঠিন জ্বালানি চালিত ক্ষেপণাস্ত্রটি কামচাতকার কুরা প্রশিক্ষণ এলাকায় নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছায়। রাশিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি কোনো পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর পরীক্ষা ছিল না; বরং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার কারিগরি সক্ষমতা এবং উড্ডয়ন-সংক্রান্ত বৈশিষ্ট্য যাচাই করতেই পরীক্ষাটি পরিচালনা করা হয়। মস্কো পরীক্ষাটিকে সফল বলে দাবি করেছে। বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্দেশ্যে ১৯৯৬ সালে সিটিবিটি গৃহীত হয়। তবে চুক্তিটি এখনো পূর্ণ আইনি শক্তি নিয়ে কার্যকর হয়নি। এর অন্যতম কারণ হলো, চুক্তির ‘অ্যানেক্স ২’-এ উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ নয়টি দেশের প্রয়োজনীয় অনুমোদন এখনো সম্পন্ন হয়নি। এই নয়টি দেশ হলো—যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ইরান, ইসরায়েল, মিসর, ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া। এসব দেশের অনুমোদন ছাড়া সিটিবিটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হওয়ার পথে বাধা রয়েছে। ২০২৬ সাল পর্যন্ত ১৮৮টি দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং ১৭৯টি দেশ তা অনুমোদন করেছে। ফলে বিপুলসংখ্যক রাষ্ট্র চুক্তির প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানালেও প্রয়োজনীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের অনুমোদন না থাকায় এটি এখনো পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। জাতিসংঘ দীর্ঘদিন ধরেই পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। গুতেরেসের সর্বশেষ আহ্বানও সেই আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি





মন্তব্য