শিরোনাম
বর্তমান সরকার সুনীল অর্থনীতির সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম *** বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে জনকল্যাণমুখী সঠিক প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** রাঙামাটিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কর্মসূচির ঝাঁকুনি, ভূমিহীনদের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


২০ নভেম্বর, ২০২৫

আন্তর্জাতিক › কূটনৈতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ও সৌদি বাদশা| |ক্রেডিট : ছবি: ইন্টারনেট

সাতটি যুদ্ধ থামানোর পর এবার সুদানের সংঘাত অবসানে উদ্যোগী ট্রাম্প

বিশ্ব রাজনীতির অস্থিরতার এই সময়ে আফ্রিকার সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকটগুলোর একটি হচ্ছে সুদানের গৃহযুদ্ধ। চলমান যুদ্ধের কারণে দেশটি কার্যত ভেঙে পড়ার মুখে। এমন পরিস্থিতিতে এবার সুদানের সংঘাত অবসানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অনুরোধে এই উদ্যোগে এগিয়ে আসার কথা নিজেই জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে বর্তমান পরিস্থিতিকে “গভীর মানবিক সংকট” বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সুদান আজ চরম দুর্ভোগে রয়েছে এবং এই সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত ভূমিকা জরুরি। প্রেসিডেন্ট জানান, যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), মিসর, সৌদি আরবসহ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে। ট্রাম্প লিখেছেন, “সৌদি যুবরাজ চান আমি সুদানের জন্য কিছু করি। শুরুতে ভেবেছিলাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, তাই এই ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করব না। কিন্তু বুঝতে পারলাম, এটি সৌদি আরব ও তার মিত্রদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সুদান নিয়ে কাজ শুরু করতে যাচ্ছি, যদিও এটি সহজ হবে না।” বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে সুদানের সামরিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফরে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান (এমবিএস) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সুদানের সংঘাত থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানান। এই অনুরোধের ফলেই যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় মধ্যস্থতায় আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুদান বর্তমানে সেনাবাহিনী (এসএএফ) ও আধাসামরিক ‘র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস’ (আরএসএফ)-এর ভয়াবহ যুদ্ধে ছিন্নভিন্ন। হাজারো মানুষ নিহত, লক্ষাধিক বাস্তুচ্যুত এবং খাদ্য, পানি, চিকিৎসা সংকটে গোটা দেশ মানবিক বিপর্যয়ে নিমজ্জিত। পূর্বে একাধিক শান্তি উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নতুন করে কার্যকর মধ্যস্থতার পথ খুঁজছে। ট্রাম্প অতীতে আফগানিস্তান, কসোভো এবং মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি সংঘাত প্রশমনে ভূমিকা রাখার দাবি করে থাকেন। এবার সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে সুদানে নতুন শান্তি প্রচেষ্টা শুরু করতে যাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তিনি নিজেই সতর্ক করে বলেন, “সুদানের পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল; সমাধান তত দ্রুত বা সহজে পাওয়া যাবে না।” সুদানের চলমান যুদ্ধ থামানোর এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে—তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রত্যাবর্তন আফ্রিকার রাজনীতিতে নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে।





মন্তব্য