শিরোনাম
হাইনান দ্বীপে পর্যটন বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ও আস্থার প্রতিফলন *** চীনে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি *** সিজিটিএন-কে এইউ কমিশনের চেয়ারম্যানের বিশেষ সাক্ষাৎকার *** অনিশ্চয়তার মধ্যেও উন্মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতির পক্ষে চীন *** বহুপক্ষবাদ রক্ষায় চীনের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারে আগ্রহ কানাডার ***




↠মোহাম্মাদ আবদুল মতিন


২ জুন, ২০২২

কমিউনিটি › শিক্ষা

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:অনুষ্ঠানের চিত্র| |ক্রেডিট : নিজস্ব

সারাবাংলা ৮৮ অস্ট্রেলিয়া প্যানেলের পুনর্মিলনীতে ফিরে এলো প্রাণের ছোঁয়া

পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়। ও সেই চোখে দেখা, প্রাণের কথা, সে কি ভোলা যায়...’। রোববার দিনভর সেই পুরনো দিনেরই স্মৃতিচারণ ও আনন্দে মাতালেন সারাবাংলা ৮৮’র প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত ১৯৮৮ সালে এসএসসি পাশ করা ছাত্রছাত্রীরা একত্রিত হয়ে হারিয়ে যায় সেই পুরনো দিনে। প্রাক্তনদের আবেগ যেন একটু বেশিই ছিল। খুনসুটিতেও কেউ কাউকে ছেড়ে দেননি। তাদের আবেগ-স্মৃতিচারণ-আড্ডায় ছুঁয়ে যায় সিডনির পেনরিথের অর্চাডহিল মেসোনিক সেন্টারের প্রাঙ্গণ। স্থানীয় সময় গত ২৯ মে (রোববার) দুপুরে সিডনির পেনরিথের অর্চাডহিল মেসোনিক সেন্টারে সারাবাংলা ৮৮ অস্ট্রেলিয়া প্যানেলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। শীতের হালকা আমেজ ও চমৎকার আবহাওয়ায় সুন্দর এই আয়োজনটি ছিল উৎসবমুখর ও উপভোগ্য। অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত সালমা খাতুন, প্রিন্স, আনিসুর রহমান, এএইচএম মামুনুর রাশিদ, রিটা শরিফ, শাকিল আহমেদ, মুহাম্মদ হেদায়েতুল কবির, সাগর সালাউদ্দিন ও অন্যান্য বন্ধুদের সহযোগিতায় এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। আনন্দঘন পরিবেশে ও আনন্দ উচ্ছাসের মধ্যে এসএসসি ৮৮ ব্যাচের বন্ধুরা স্বপরিবারে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। মেলবোর্ন থেকে জিয়া ও আয়েশা এবং ক্যানবেরা থেকে রিফাত বিতা আনুষ্ঠানে যোগদান করেন। মহিলা ও শিশুদের খেলাধুলার পর অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সারাবাংলা ৮৮ অস্ট্রেলিয়া প্যানেলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের ব্যানারের গ্রাফিকস্ ডিজাইন করেছেন বাংলাদেশের বন্ধু হাবিবুর রহমান জুয়েল এবং ব্যানার প্রিন্ট স্পন্সর করেছেন সিডনির বন্ধু সাহাবুদ্দিন আহমেদ। মধ্যাহ্ন ভোজের পর রিটা এবং প্রিন্সের সঞ্চালনায় শুরু হয় পুরস্কার বিতরণী ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ক্যানবেরা থেকে আগত রিফাত বিতা, সিডনির আনিস ও আনিস ভাবী, এবং মেহেদি ভাবীর একের পর এক সংগীত এবং প্রিন্স এর আবৃত্তি পরিবেশনায় আনন্দে মেতে উঠে ৮৮’র বন্ধুরা। দীর্ঘ ৩৪ বছর প্রিয় সহপাঠী বন্ধুদের সঙ্গে দেখা। ফের ফিরে এল এক আনন্দের দিন। ভোরের সূর্য উদিত হতেই বিদ্যালয়ের দিকে ছুটে যেতেন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা, সেই দিনগুলো আজ কই। অনেকদিন পর সহপাঠীদের কাছে পেয়ে আনন্দে উদ্বেলিত হয় সবাই। গানের সেই কলির মতোই ‘প্রাণ জুড়াবে তাই’ এর মতোই দীর্ঘদিনের পুরনো বন্ধু, সতীর্থ শিক্ষার্থীদের পেয়ে প্রাণ জুড়িয়েই শেষ হয় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান। -(তথ্য ও ছবি: সালমা খাতুন ও এএইচএম মামুনুর রাশিদ)

News Picture

image : অনুষ্ঠানের চিত্র | credit : নিজস্ব


News Picture

image : অনুষ্ঠানের চিত্র | credit : নিজস্ব


News Picture

image : অনুষ্ঠানের চিত্র | credit : নিজস্ব


News Picture

image : অনুষ্ঠানের চিত্র | credit : নিজস্ব


News Picture

image : অনুষ্ঠানের চিত্র | credit : নিজস্ব


News Picture

image : অনুষ্ঠানের চিত্র | credit : নিজস্ব






মন্তব্য