১৮ জুন, ২০২৬
স্বদেশ › স্বদেশ

চিত্র:ইলেকট্রিক ট্রেন| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট
দেশের যোগাযোগ অবকাঠামোকে যুগোপযোগী ও পরিবেশসম্মত করতে প্রধান প্রধান রেলপথে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি সড়ক ও রেল খাতের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন সেতু নির্মাণ এবং রেল সম্প্রসারণসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় মহাসড়কগুলোকে ধাপে ধাপে এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিডের আওতায় আনা হবে এবং মাল্টিমোডাল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যাতে বিভিন্ন পরিবহন মাধ্যমের মধ্যে কার্যকর সংযোগ নিশ্চিত করা যায়। প্রধানমন্ত্রী জানান, সড়কে ওভারলোডের কারণে অবকাঠামোর ক্ষতি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট মনিটরিং ব্যবস্থা এবং এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালু করা হবে। রাজধানীর যানজট কমানোর লক্ষ্যে রিং রোড ও রেডিয়াল রোড নেটওয়ার্ক নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলগুলোতে ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের পূর্ব-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করতে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এলাকায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। রেল খাতের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০৪৫ সাল পর্যন্ত তিন ধাপে মোট ২৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়েকে জাতীয় পরিবহন ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় শক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় দেশের সব রেললাইন পর্যায়ক্রমে ডুয়েলগেজ ব্যবস্থায় রূপান্তর করা হবে। তিনি আরও জানান, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাহিদা বিবেচনায় আগামী বছরগুলোতে আন্তঃনগর ও কমিউটার ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে, যা রেলের সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য:০