শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** চীনে এআই ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে *** সিরামিক শিল্পের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান *** বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারেই চমক, নিউক্লিয়ার অলিম্পিয়াডে চীনের ৪ পদক *** ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রতিরক্ষা বলয়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের কৌশলগত জোট ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


১৮ জুলাই, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের পদ্মা হলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘Long Live Bangladesh-China Friendship’ শীর্ষক আলোচনা| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

রোহিঙ্গা সংকটসহ উন্নয়ন সহযোগিতায় বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাসও পুনর্ব্যক্ত করেছে বেইজিং। এ প্রেক্ষাপটে জাতীয় স্বার্থে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (১৮ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের পদ্মা হলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘Long Live Bangladesh-China Friendship’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং সময়ের সঙ্গে তা আরও গভীর ও বহুমাত্রিক রূপ পেয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় দুই দেশের সম্পর্ক শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়ায়। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চীন সফর সেই সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক শুধু রাষ্ট্রীয় পর্যায়েই সীমাবদ্ধ নেই; শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগেও এর বিস্তৃতি ঘটেছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা চীনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন, উদ্যোক্তারা ব্যবসা সম্প্রসারণ করছেন এবং আধুনিক প্রযুক্তি দেশে এনে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রে চীনের প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারলে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে। বিরোধী দলে থাকাকালেও বিএনপি সেই সম্পর্ক বজায় রেখেছে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় স্বার্থে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিক স্বার্থভিত্তিক সম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় চীন একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হতে পারে। তিনি বাণিজ্য ও রপ্তানি সম্প্রসারণ, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ সড়ক যোগাযোগ এবং রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে চীনের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানান। বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চীন আগ্রহী। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল হক নান্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন





মন্তব্য