শিরোনাম
বাংলাদেশের আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট কর্মসূচিতে সহযোগিতায় আগ্রহী ফ্রান্স *** ড্রোনে ত্রাণ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও পশু চিকিৎসা—বন্যাদুর্গত হবিগঞ্জে বিজিবির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ *** বাংলাদেশের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মার্কিন সহায়তা ১০ লাখ ডলার *** হজ ফ্লাইটের কর-চার্জ কমাতে সৌদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ *** প্রাথমিক শিক্ষায় STEM ও প্লে-ল্যাব চালুর পরিকল্পনা: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


১৯ মার্চ, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › কূটনৈতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হ্য লি ফেং এবং মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট| |ক্রেডিট : সিএমজি:

প্যারিসে চীন-মার্কিন আর্থ-বাণিজ্যিক আলোচনা

স্থানীয় সময় ১৫ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে, চীন-মার্কিন আর্থ-বাণিজ্যিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হ্য লি ফেং এবং মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ও বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার অংশগ্রহণ করেন। চীন-মার্কিন নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য অনুসারে, শুল্ক ব্যবস্থাপনা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও পুঁজি বিনিয়োগ, চলমান অর্জিত পরামর্শের মতৈক্য মেনে চলাসহ, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক, গভীর ও গঠনমূলক আলোচনা করেন দু’দেশের প্রতিনিধিরা। এ সময় নতুন কিছু মতৈক্যেও পৌঁছানো সম্ভব হয়। চীনা প্রতিনিধি হ্য বলেন, দু’দেশের নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্যের আওতায়, গত বছর পাঁচ দফার আর্থ-বাণিজ্যিক আলোচনার পর, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ধারাবাহিক পরামর্শ-সভায় ফলাফল অর্জিত হয়েছে, যা দু’দেশের আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও বিশ্বের অর্থনীতিতে আরও বেশি নিশ্চয়তা ও স্থিতিশীলতা যুগিয়েছে। তিনি বলেন, মার্কিন পক্ষ ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ১২২ ধারা অনুসারে, সকল বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে এবং চীনের ওপর ‘৩০১ ধারা’-য় তদন্ত, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা, এবং বাজার অনুমোদন বাধাসহ বিভিন্ন নেতিবাচক ব্যবস্থা নিয়েছে। মার্কিন পক্ষের একতরফাভাবে শুল্ক বাড়িয়ে দেওয়ার আচরণেরও বিরোধিতা করে চীন এবং সংশ্লিষ্ট শুল্ক বাতিল করার জন্য তাগিদ দেয়। হ্য আরও বলেন, প্রয়োজন হলে নিজের বৈধ অধিকার রক্ষায় পদক্ষেপ নেবে চীন। যুক্তরাষ্ট্র দু’দেশের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য বাস্তবায়ন করবে বলে আশা করে বেইজিং, যাতে সহযোগিতার তালিকা বড় হবে, সমস্যার তালিকা ছোট হবে, এবং দ্বিপাক্ষিক আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্বাস্থ্যকর, স্থিতিশীল ও টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। মার্কিন পক্ষ জানায়, স্থিতিশীল চীন-মার্কিন আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিশ্বের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ, যা বিশ্বের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, সরবরাহ-শৃঙ্খলের নিরাপত্তা ও আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক। দু’দেশের উচিত মতভেদ কমিয়ে দেওয়া, সমস্যার অবনতি ঠেকানো, এবং পরামর্শের মাধ্যমে বিদ্যমান মতভেদ সমাধান করা। সূত্র: সুবর্ণা-আলিম-শুয়ে ফেই ফেই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

News Picture

image : চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হ্য লি ফেং এবং মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট | credit : সিএমজি:






মন্তব্য