শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান নিয়ে চলছে সমীক্ষা, সিদ্ধান্ত পরে *** ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ৬৭২ *** মাতারবাড়ীতে বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


২৭ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:হারজোগ| |ক্রেডিট : সিএমজি

প্রতিভাই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি: হারজোগ

সম্প্রতি বেইজিংয়ে, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন)-কে একটা একান্ত সাক্ষাৎকার দেন, জার্মান জাতীয় প্রকৌশল একাডেমির শিক্ষাবিদ ও চীনা প্রকৌশল একাডেমির বিদেশি শিক্ষাবিদ ওথেইন হারজোগ। সম্প্রতি চীনের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পুরস্কার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জার্মান বিজ্ঞানী হারজোগ ২০২৫ সালের চীন আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সহযোগিতা পুরস্কার লাভ করেন, যা বিদেশি বিজ্ঞানীদেরকে চীন কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বৈজ্ঞানিক সম্মাননা। হারজোগ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একজন জার্মান বিশেষজ্ঞ। ১৯৮৫ সালে তিনি জার্মানির প্রথম এআই গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং দেশটির প্রথম এআই দলের নেতৃত্ব দেন। ২০১৪ সালে তাকে চীনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নগর পরিকল্পনার আন্ত:শাস্ত্রীয় ক্ষেত্রের উদ্ভাবনী উন্নয়নে কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, উন্নয়নের জন্য প্রতিভা একটি অপরিহার্য মৌলিক উপাদান। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, উদ্যোক্তা এবং প্রকৌশলের ক্ষেত্রগুলোয় পর্যাপ্ত প্রতিভা থাকলেই কেবল একটি দেশ, দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন অর্জন করতে পারে। তিনি তার ১১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিগত ১১ বছর ধরে আমি চীনের পরিবর্তন নিজ চোখে দেখেছি। আমাদের বাড়ির কাছের আরবান ভিলেজটিকে উদাহরণ হিসেবে নিন। আমি নিজে এর ভাঙা ও পুনর্নির্মাণ দেখেছি, যেখানে সেই জায়গায় বহুতল আবাসিক ভবন গড়ে উঠছে। পুরনো আরবান ভিলেজের জায়গায় একটি নতুন রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এই রাস্তায় মোটরযানের জন্য চারটি লেনের পাশাপাশি অ-মোটরযানের লেন ও ফুটপাতও রয়েছে। রাস্তার ধারে বাতি বসানো হয়েছে এবং সবুজায়ন করা হয়েছে। পুরো রাস্তাটি প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ এবং মাত্র দুই সপ্তাহে এর কাজ সম্পন্ন হয়। নির্মাণের এই আশ্চর্যজনক গতি আমাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছিল! তিনি বলেন, আমি আমার জীবন মানবজাতির কল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য উত্সর্গ করেছি। এই দর্শনটি আমার জীবনব্যাপী কৃতকর্মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায় এবং আমি একে পূর্ণ সমর্থন করব। আমি চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং-এর মতামত উদ্ধৃত করতে চাই যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সত্যিকার অর্থে উপকারী ও কল্যাণকর করে তুলতে হবে। সূত্র:ছাই-আলিম-প্রেমা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।





মন্তব্য