শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** চীনে এআই ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে *** সিরামিক শিল্পের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান *** বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারেই চমক, নিউক্লিয়ার অলিম্পিয়াডে চীনের ৪ পদক *** ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রতিরক্ষা বলয়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের কৌশলগত জোট ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


৩ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে সবার সচেতনতা ও অংশগ্রহণ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশবাসীর প্রতি সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শুধু পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ওপর নির্ভর করলেই হবে না; বরং প্রত্যেক নাগরিককে নিজের ব্যবহৃত বর্জ্য যথাস্থানে ফেলতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল আচরণ করলে ধীরে ধীরে একটি আবর্জনামুক্ত ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। তারেক রহমান বলেন, দেশটি সবার। তাই পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জনপরিসর রক্ষার দায়িত্বও সবার। তিনি বলেন, প্রত্যেকে যদি নিজের ব্যবহৃত টিস্যু, প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের মোড়ক বা অন্যান্য বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে নির্ধারিত স্থানে রাখেন, তাহলে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা অনেক সহজ হবে। তিনি বলেন, গত কয়েক দশকে দেশের শহর, উপজেলা এমনকি অনেক গ্রামীণ বাজারেও যত্রতত্র প্লাস্টিক, টিস্যু, চিপসের প্যাকেট ও অন্যান্য বর্জ্য ছড়িয়ে থাকার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। অথচ অতীতে এমন পরিস্থিতি ছিল না। এই পরিবর্তন শুধু পরিবেশের সৌন্দর্য নষ্ট করছে না, জনস্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মানের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ নিজের ঘরকে যেমন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চায়, তেমনি দেশের রাস্তাঘাট, পার্ক, বাজার কিংবা জনসমাগমস্থলও সবার যৌথ সম্পদ। তাই এসব স্থানও সমান যত্নে পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন। তিনি কবির ভাষা স্মরণ করে বলেন, সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশের সৌন্দর্য রক্ষায় নাগরিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি আরও বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রতিদিন হেঁটে, রিকশায় কিংবা গণপরিবহনে চলাচল করেন। রাস্তাঘাটে ছড়িয়ে থাকা আবর্জনা ও দুর্গন্ধ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায়। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা এবং সঠিকভাবে তা অপসারণের ব্যবস্থা করা গেলে পরিবেশ যেমন ভালো থাকবে, তেমনি নাগরিক জীবনও হবে আরও স্বস্তিদায়ক। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক পুকুর ও জলাশয়ের ভেতরে কিংবা পাড়ে আবর্জনার স্তূপ দেখা যায়। একসময় যেখানে মানুষ অবসর সময় কাটাতেন, এখন সেখানে ময়লার কারণে পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। এ ধরনের পরিস্থিতি পরিবর্তনে সামাজিক সচেতনতার বিকল্প নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি পার্ক ও বিনোদনকেন্দ্রেও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার আহ্বান জানান। বলেন, অনেকেই পরিবার নিয়ে ঘুরতে গিয়ে খাবারের মোড়ক, বোতল কিংবা অন্যান্য বর্জ্য সেখানেই ফেলে রেখে আসেন। ফলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পরিষ্কার করার পরও অল্প সময়ের মধ্যে আবার পরিবেশ নোংরা হয়ে যায়। প্রত্যেকে যদি নিজ দায়িত্বে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখেন, তাহলে পরবর্তী দর্শনার্থীরাও সুন্দর পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোট ছোট ব্যক্তিগত উদ্যোগই বড় পরিবর্তনের ভিত্তি হতে পারে। তাই একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তিনি দেশবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন। সূত্র: ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওবার্তা।





মন্তব্য