শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** চীনে এআই ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে *** সিরামিক শিল্পের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান *** বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারেই চমক, নিউক্লিয়ার অলিম্পিয়াডে চীনের ৪ পদক *** ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রতিরক্ষা বলয়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের কৌশলগত জোট ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


১ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ঢাকার বিজয় সরণিতে র‍্যাংগস ভবনে বাংলাদেশ কিয়োকুশিন কারাতে সংস্থা আয়োজিত ‘ব্ল্যাক বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান-২০২৬| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাধ্যতামূলক ক্রীড়া শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে মার্শাল আর্ট: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক বিকাশ এবং আত্মরক্ষার দক্ষতা বাড়াতে বাধ্যতামূলক ক্রীড়া শিক্ষায় মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বাধ্যতামূলক ক্রীড়া শিক্ষার অংশ হিসেবে মার্শাল আর্টকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও আত্মনিয়ন্ত্রণের মতো গুণাবলি বিকশিত হয়। ঢাকার বিজয় সরণিতে র‍্যাংগস ভবনে বাংলাদেশ কিয়োকুশিন কারাতে সংস্থা আয়োজিত ‘ব্ল্যাক বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে ক্রীড়া শিক্ষা শুধু শারীরিক সুস্থতার জন্য নয়, বরং একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্ব গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মার্শাল আর্টের মাধ্যমে আত্মরক্ষার কৌশল শেখার পাশাপাশি শৃঙ্খলাবোধ, ধৈর্য, আত্মবিশ্বাস এবং ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি হয়, যা ভবিষ্যতে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক। তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থী যখন নিজের সক্ষমতার ওপর আস্থা অর্জন করে, তখন সে সহিংসতা ও সংঘাত থেকে দূরে থাকতে শেখে এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এ কারণে সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় খেলাধুলার পাশাপাশি আত্মরক্ষামূলক প্রশিক্ষণের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের নতুন প্রজন্মকে সুস্থ, আত্মবিশ্বাসী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলা এবং মার্শাল আর্টের বিস্তার প্রয়োজন। তিনি কারাতে সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণে একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করা উচিত। সরকার এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, ১৯৯১ সালে কিয়োকুশিন কারাতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁর মার্শাল আর্টের যাত্রা শুরু হয়েছিল। সেই সময়ের অনুশীলন, সহপাঠীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং বিভিন্ন কারাতে প্রদর্শনীর স্মৃতি আজও তাঁকে অনুপ্রাণিত করে। অনুষ্ঠানে বর্তমান প্রজন্মের কারাতেকাদের পরিবেশনা দেখে তাঁর তিন দশকেরও বেশি সময় আগের স্মৃতি ফিরে এসেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং আত্মরক্ষার সক্ষমতা গড়ে তুলতে মার্শাল আর্ট কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে একটি সুস্থ, দক্ষ ও মানবিক প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যা ভবিষ্যতে দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ব্ল্যাক বেল্ট অর্জনকারী কারাতেকাদের হাতে সনদ ও ব্ল্যাক বেল্ট তুলে দেন। তিনি বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের সুনাম বয়ে আনার আহ্বান জানান। সূত্র: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ।





মন্তব্য