শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান নিয়ে চলছে সমীক্ষা, সিদ্ধান্ত পরে *** ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ৬৭২ *** মাতারবাড়ীতে বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


২৯ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:আফগানিস্তানে পাকিস্তানের ‘ডাবল-ট্যাপ’ বিমান হামলার অভিযোগ| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

পাকিস্তানের বিমান হামলায় ৩৫ বেসামরিক নিহতের দাবি তালেবানের

আফগানিস্তানের পূর্ব সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের বিমান হামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তালেবান সরকারের দাবি, ‘ডাবল-ট্যাপ’ কৌশলে পরিচালিত ওই হামলায় শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ৩৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তান বলছে, অভিযানের লক্ষ্য ছিল সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আস্তানা এবং এতে ২৯ জন উগ্রবাদী নিহত হয়েছে। তালেবান প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (২৮ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পাক্তিকার গায়ান, পাক্তিয়ার চামকানি এবং কুনারের মারাওয়ারা জেলার আবাসিক এলাকা ও একটি মসজিদে প্রথম দফায় বিমান হামলা চালানো হয়। তাদের অভিযোগ, প্রথম হামলার প্রায় ২৫ মিনিট পর স্থানীয় বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারে এগিয়ে এলে একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় বোমাবর্ষণ করা হয়। সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের কৌশলকে ‘ডাবল-ট্যাপ’ হামলা বলা হয়। এই দ্বিতীয় হামলাতেই হতাহতের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায় বলে তালেবান কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে। কাবুলের ভাষ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ৪ থেকে ৯ বছর বয়সী কয়েকজন শিশু ও বয়স্ক মানুষ রয়েছেন। শতাধিক আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালের ভিডিওচিত্রে আহত শিশুদের চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। চামকানি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দাও দাবি করেছেন, হামলার সময় সেখানে কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতি ছিল না। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে ‘কাপুরুষোচিত আগ্রাসন’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নিরীহ মানুষের ওপর এ ধরনের হামলা অপরাধ এবং বর্বরতার শামিল। অন্যদিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার জবাবে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্থল ও বিমান অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তার দাবি, নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-উল-আহরার ও ‘ফিতনা আল খওয়ারিজ’-এর ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো অভিযানে ২৯ জন উগ্রবাদী নিহত হয়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, টিটিপির সদস্যরা আফগান ভূখণ্ডকে আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করে পাকিস্তানে হামলা চালায়। তবে তালেবান সরকার এ অভিযোগ ধারাবাহিকভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। এদিকে এই সীমান্ত উত্তেজনার পাশাপাশি পাকিস্তানের অভ্যন্তরেও কয়েকটি ঘটনা আন্তর্জাতিক মনোযোগ কেড়েছে। করাচিতে রেঞ্জার্স কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় ভারতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, মানবাধিকারকর্মী মাহরাং বালোচের যাবজ্জীবন দণ্ড এবং জিও নিউজের সম্প্রচার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘটনাও দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও আলোচনায় নিয়ে এসেছে। সূত্র: এনডিটিভি। চলতি বছরে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের





মন্তব্য