৮ আগস্ট, ২০২৬
সাহিত্য › সাহিত্য

চিত্র:অভ্যুত্থান| |ক্রেডিট : ছবি: ইন্টারনেট
ওরা জেগেছিল একটি অমৃত গানে - মো: খলিলুর রহমান ওরা জেগেছিল একটি অমৃত গানে, খুঁজে নিতে ফের মেধাবী মনের মানে। ওরা জেগেছিল গেয়েছিল এক গান, যে গানের মাঝে ঘটেছিল উত্থান। জাগেনিতো ওরা এনেছিল দৃঢ় সাড়া, জাগিয়েছিল যে সকল মনের পাড়া। মন থেকে মনে প্রাণ থেকে প্রাণে মিল, ওরা নেমেছিল করেছিল যে মিছিল। সেই মিছিলের প্রতিটি প্রাণের রূপ, দেখে হয়েছিল স্বৈরচারিণী চুপ! তার আগে সে যে কেড়ে নিল বহু প্রাণ! ওরা মরে নিতো মৃত্যুহীন ও প্রাণ ! প্রাণ দিয়ে তারা মানব মানবী মাঝে, দৃঢ় প্রত্যয় এনে দিয়েছিল; বাজে! বাজে নাকাড়ার হৃদ ভেরি মন্থর! গতি এনে দিল সাহসী প্রাণের ভোরে, যে ভোরে জেগেছে বুক চেতা এক জাতি, রক্ত সলিলে জ্বেলেছিল তারা বাতি। বাতি জ্বেলেছিল আনাচে কানাচে আর, আলোর জোয়ারে ভেসেছিল অন্তর! আলোক যখন হৃদয় অলিন্দে জ্বলা, কে রুখে তাদেরে পারেনি আত্মভোলা! ওরা ভেবেছিল নিভে গেলে সব আলো, আঁধারে করবে ক্রূর খেলা এলোমেলো। তাদের সে সব অশুভ বাহুর বল, গিয়েছিল থেমে রঞ্জিত করতল। দ্রিম দ্রিম বাজে নাকাড়ার আয়োজন, ওরা দিশেহারা থেমে গেল অনুক্ষণ! জীবনের গান আজ মহাপ্রাণ দানে, আমার ভাইয়েরা গেল যে অভ্যুত্থানে। বোনেরাও দিল বাড়িয়ে তাদের হাত, কেটে গেল এক দুখ অমানিশা রাত। মানবতা গায় মানবতাবাদী গান, হিমালয় সম সে গিরির উত্থান! ঢাকা পড়ে গেল শত সহস্র টিলা, মানবতা পেল মানব প্রাণের মালা। বছর ঘুরে সে সেই দিনে আজ জাতি, আবার জ্বেলেছে এখানে প্রাণের বাতি। এই বাতি সেতো যেন তেন বাতি নয়, শলতেটা জ্বলে রক্তের ফোয়ারায়! মোর ভাই বোন রক্তের নদী দিয়ে, বাতি জ্বেলে গেল যার আলো চলে প্রিয়ে। মর্তধামেতে স্বর্গেরও দিকে ধায়, সে আলোক রেখা দিয়েছে যে প্রত্যয়। মানুষের কথা মানবিকতার কাজ, রুখতে কখনো চায় যদি কোনো রাজ। পারবে না, কভু পারবে না বলি শোনো, জেগো বিপ্লবী মৃত্যুহীনেরা জেগো! জেগো জেগো আর উপড়িয়া ফেলো ফের! মানুষ রূপি সে পশুদের শমশের। মানবতা রবে মুক্ত প্রাণের বানে! ভুলবে না কভু অমিত জীবন মানে!
মন্তব্য:০