শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, রামপালে ৪৬০ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পের উদ্যোগ *** বন্ধ পত্রিকা চালুর তাগিদ, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির *** এসআরবি বিল সংসদে তোলার সুপারিশ, র‌্যাবের জনবল-অবকাঠামো কাজে লাগানোর তাগিদ *** গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি *** ডেঙ্গুতে এক দিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ১,৫৭১ ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › রাজনীতি

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:তারেক রহমান| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট:

নতুন নেতৃত্বে আসছেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–বিএনপির অভূতপূর্ব জয়ের মধ্য দিয়ে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের নেতৃত্বে আসার এক নতুন অধ্যায় রচনা করতে যাচ্ছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর এবার দলীয় সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নতুন ইতিহাসের সূচনা করলেন দলের বর্তমান নেতৃত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার পর নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়:১৯৭৯ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির ২২০ আসনের সাফল্য, পরে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ’৯১, ’৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনী ফল—সবই দলের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ ধারাবাহিকতার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলটি নতুন রেকর্ড গড়ে বিপুল ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেছে। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় গ্রেপ্তার ও ১৮ মাস কারাবাসের পর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে অবস্থান এবং মা বেগম খালেদা জিয়াকে হারানোর মতো ব্যক্তিগত দুঃসময়ের মধ্য দিয়েও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন তিনি। দেশে প্রত্যাবর্তনের পরই দলের বিভিন্ন কর্মসূচি, সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং নির্বাচনী প্রস্তুতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। প্রথমবার জাতীয় নির্বাচনে সরাসরি অংশগ্রহণেই সাফল্য:এই নির্বাচন ছিল তারেক রহমানের রাজনৈতিক জীবনের প্রথম সংসদ নির্বাচন। ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬—দুটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি জয়ী হয়েছেন। দলকে সার্বিকভাবে সংগঠিত করা, প্রার্থী মনোনয়ন, প্রচার কৌশল নির্ধারণ—সব মিলিয়ে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনায় তিনি ছিলেন নেতৃত্বের কেন্দ্রে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা জোরদার এবং সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও গত কয়েক বছরে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নেন তিনি। অভিযোগ পাওয়ার ভিত্তিতে বহু নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণও আলোচনায় আসে। নীতিমালা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সামনে এনে নতুন রাজনৈতিক চিত্র: দল পুনর্গঠনের পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে বিভিন্ন নীতিগত প্রস্তাব ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন তারেক রহমান। কর্মসংস্থান, কৃষি সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে ঘোষিত নানান প্রোগ্রাম নির্বাচনী প্রচারণায় বিশেষভাবে আলোচিত হয়। নির্বাচনের আগে প্রস্তাবিত নীতিমালা—যেমন কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন চিন্তাধারা—দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটার পর্যন্ত ব্যাপক সাড়া ফেলে। মানবিক উদ্যোগ থেকেও আলোচনায়: দলের ভেতরে মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর প্রতি সহযোগিতা প্রদানের বিষয়টিও তারেক রহমানকে আলোচনায় রাখে। নির্বাচনের আগে রাজধানীতে একটি পশুসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন করাও তাঁর আরেকটি আলোচিত কর্মকাণ্ড ছিল। প্রথমবারেই সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার ফলে দলীয় চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানই নতুন সরকার গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ পাবেন—এটি এখন প্রায় নিশ্চিত। এর মধ্য দিয়ে তিনি প্রথমবার সংসদ সদস্য এবং প্রথমবারেই দেশের নেতৃত্বে আসার এক বিরল রেকর্ড স্পর্শ করতে যাচ্ছেন।





মন্তব্য