শিরোনাম
হাইনান দ্বীপে পর্যটন বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ও আস্থার প্রতিফলন *** চীনে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি *** সিজিটিএন-কে এইউ কমিশনের চেয়ারম্যানের বিশেষ সাক্ষাৎকার *** অনিশ্চয়তার মধ্যেও উন্মুক্ত বিশ্ব অর্থনীতির পক্ষে চীন *** বহুপক্ষবাদ রক্ষায় চীনের সঙ্গে সমন্বয় জোরদারে আগ্রহ কানাডার ***




↠নিজস্ব প্রতিবেদক


১৮ জুলাই, ২০২৫

স্বদেশ › জাতীয়

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:bnp| |ক্রেডিট : সংগৃহীত

নির্বাচন ঠেকাতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে-বিএনপি

অন্তর্বর্তী সরকারের ‘প্রতিশ্রুতি’ অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘ব্যাহত’ করতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে মনে করছে বিএনপি। দলটির উচ্চ মহলের সন্দেহ, হামলা-সংঘর্ষের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো, বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে কটূক্তি এবং দলের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচারও নির্বাচন ঠেকানোর নীলনকশার অংশ। গত বুধবার গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে হামলা ও সংঘর্ষ এবং সম্প্রতি রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এক যুবকের নিহত হওয়াসহ এর আগে-পরের কিছু ঘটনায় বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের বিশ্লেষণে এই অভিমত উঠে এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা কালের কণ্ঠকে বলেন, একটি মহল নির্বাচন ঠেকানোর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত আছে। কারা এই ‘ষড়যন্ত্রকারী’ তা তাঁরা জানেন। কিন্তু পরিস্থিতি জটিল করে তুলতে চাইছেন না বলে কারো নাম উল্লেখ করে কিছু বলছেন না। বিএনপির উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা আছে, একটি মহলের ‘বিপ্লবী সরকার’ গঠনের পরিকল্পনা আছে। এরই অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে তারা নির্বাচনের পরিবেশ যেমন নষ্ট করার চেষ্টা করছে, তেমনি বিভিন্ন ঘটনায় অপপ্রচার চালিয়ে বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মিটফোর্ড (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ) হাসপাতালের সামনে ভাঙ্গারি পণ্যের ব্যবসায়ী লাল চাঁদ সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার নেপথ্যে পল্লী বিদ্যুতের চোরাই তার ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। পরবর্তী সময়ে স্বার্থগত দ্বন্দ্বের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটে। এর সঙ্গে চাঁদাবাজি কিংবা দলীয় কোনো বিষয় নেই। এ বিষয়টি তুলে ধরে বিএনপি নেতারা বলেন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত শুক্রবার থেকে তাদের ওপর দায় চাপানো শুরু হয়। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ কয়েকটি দল একযোগে যেভাবে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করে ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করতে থাকে, তাতে স্পষ্ট হয়েছে ওই দলগুলো কী চায়। দলটির নেতারা বলেন, পুলিশের বক্তব্যের পর ওই সব দলের ক্ষমা চাওয়া উচিত। অবশ্য এসব ঘটনার জবাব দিতে মাঠে নেমেছে বিএনপিও। গত কয়েক দিনে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো বিক্ষোভ করছে।





মন্তব্য