শিরোনাম
শূন্যরেখায় আটকে মানবিক বিপর্যয়, সীমান্তে দুই দেশের টানাপোড়েন *** ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া, ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য অজিদের *** স্পেনকে রুখে বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের চমক, আলোচনায় বাংলাদেশের তৈরি জার্সি *** বাংলাদেশ-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী জেলা নিয়ে বিশেষ অনুসন্ধানে ভারত, এক বছরে প্রতিবেদন দেবে প্যানেল *** যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন; আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শুক্রবার ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


১২ মে, ২০২৬

স্বদেশ › কূটনৈতিক:

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ‘Migration & Mobility- Bangladesh Situation’ শীর্ষক একটি বৈঠক| |ক্রেডিট : ছবি:মন্ত্রণালয়

নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসনের লক্ষ্যে দক্ষতা উন্নয়নের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ‘Migration & Mobility- Bangladesh Situation’ শীর্ষক একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে অনিয়মিত অভিবাসীদের ব্যবহৃত একটি বিপজ্জনক পথে ‘বাংলাদেশ-লিবিয়া-ইতালি’ অভিযাত্রায় ভূমধ্যসাগরে ডুবে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষিতে এ বৈঠকটি আয়োজন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিজ শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি। পররাষ্ট্র সচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়া দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত এবং ঢাকাস্থ আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর মিশন প্রধান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের অবৈধ অভিবাসনের প্রক্রিয়ায় “zero tolerance” নীতির ওপর জোর দেন। তিনি অবৈধ অভিবাসনের প্রক্রিয়ায় সাথে জড়িত অসাধু সিন্ডিকেটগুলোকে কঠোরভাবে হুঁশিয়ার করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আলোচনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ বছরের জুনে রাজনৈতিক আশ্রয় ও অভিবাসন (asylum and migration) বিষয়ে একটি নতুন বিধিমালা কার্যকর করতে যাচ্ছে, যেখানে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য আইনি প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার বিষয়টি ভবিষ্যতে কঠিনতর হয়ে পড়বে। বৈঠকে ভবিষ্যতে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণ এর বিভিন্ন পন্থার মধ্যে প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও ভাষাগত পারদর্শিতা অর্জনের সাথে সাথে অভিবাসন প্রত্যাশিদের কাছে নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়াটিকে আরও আকর্ষণীয় ও গ্রহণযোগ্য করার উপায় নিয়েও আলোচনা করা হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা সফলভাবে নিয়মিত অভিবাসন প্রক্রিয়া পরিচালনার লক্ষ্যে গন্তব্য দেশে লদ্ধ কর্মসংস্থানের সুযোগের সাথে মিল রেখে দক্ষতা উন্নয়নের সমন্বয় সাধন করার পাশাপাশি সেসকল দেশে নিয়োগকর্তাদের সাথে সংযোগ প্রতিষ্ঠা করে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করে এমন একটি অভিবাসন কাঠামো সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে অভিবাসী বাংলাদেশিদের আরো সম্পৃক্ত করার উপর জোর দেন যাতে করে তাঁরা রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, দক্ষতা ও তাঁদের চিন্তাধারা দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ‘Bangladesh First’ ভিশন বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নয়নের সোপানে নিয়ে যাবার অগ্রযাত্রায় আরও বেশি অবদান রাখতে পারেন । অবৈধ অভিবাসন রোধে, নিয়মিত অভিবাসনকে উৎসাহিত করতে এবং অভিবাসনের পুরো প্রক্রিয়াটি মানবিক, নিয়মিত ও অধিকার-ভিত্তিক রাখার জন্যে সকলে মিলে একসাথে ও নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার বিষয়ে সকল অংশীজন ঐক্যমত পোষণ করেন।





মন্তব্য