শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৮ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালায় অনুষ্ঠিত ‘নিরাপদ সড়ক চাই’-এর মহাসমাবেশে| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

নিরাপদ সড়কের স্বপ্ন মানুষের হাতে তুলে দিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন

নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেতা ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেছেন, দীর্ঘ ৩১ বছরের আন্দোলনের ফলে নিরাপদ সড়কের দাবি আজ আর কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এটি দেশের মানুষের সম্মিলিত আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালায় অনুষ্ঠিত ‘নিরাপদ সড়ক চাই’-এর মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত জীবনের গভীর শোক থেকেই এই আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার অধিকারের আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আবেগঘন বক্তব্যে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, “আমরা কেউ কারও প্রতিপক্ষ নই। আমরা সবাই মানুষের জীবন বাঁচানোর সংগ্রামের সহযোদ্ধা।” তিনি আরও বলেন, যদি কোনো কারণে তিনি আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে থাকতে না পারেন, তবুও দেশের মানুষ যেন নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নের দাবিতে সোচ্চার থাকে। শারীরিক অসুস্থতার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি মহান আল্লাহর কাছে সুস্থতা কামনা করেন এবং আবারও আন্দোলনের মাঠে ফিরে আসার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি দেশের মানুষের নিরাপত্তা, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি সরকার, প্রশাসন, পরিবহন মালিক-শ্রমিক এবং সচেতন নাগরিকদের এ আন্দোলনে সক্রিয় অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর এক সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চনকে হারানোর পর থেকেই নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে যুক্ত হন ইলিয়াস কাঞ্চন। পরবর্তীতে ওই দিনটিকে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মহাসমাবেশে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবি কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের বিষয় নয়; এটি মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত থাকবে এবং অধিকার আদায়ে আন্দোলনের প্রয়োজন হবে না। তিনি আরও বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে, যেখানে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিক সমান মর্যাদা ও অধিকার ভোগ করবে। নিরাপদ সড়ক চাই-এর সদস্যদের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, তাদের আন্দোলন মানুষের জীবন রক্ষার জন্য পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উদ্যোগ। নিতাই রায় চৌধুরী জানান, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত বিস্তৃত এবং সাংবিধানিক নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন খাতে কাজ চলছে। অনুষ্ঠানে সড়ক ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথি, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।





মন্তব্য