২১ জুন, ২০২৬
স্বদেশ › স্বদেশ

চিত্র:রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে আয়োজিত ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’-এর সমাপনী কর্মশালা| |ক্রেডিট : ছবি: সংগৃহীত
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় শব্দদূষণ কমানো এখন সময়ের দাবি এবং এ লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে আয়োজিত ‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প’-এর সমাপনী কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, শব্দদূষণ মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অতিরিক্ত শব্দের কারণে শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া থেকে শুরু করে অনিদ্রা, মানসিক অস্থিরতা ও বিভিন্ন জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। কর্মশালায় পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পাইলট ভিত্তিতে ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক এলাকাও এর আওতায় আনা হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ জানান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৭ হাজারের বেশি মামলায় এক কোটি টাকারও বেশি জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া ৬ হাজার ৯৮৬টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের নতুন বিধিমালার মাধ্যমে ট্রাফিক সার্জেন্ট ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রায়হান কাওছার বলেন, রেল, বিমান ও যানবাহন পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া গেলে শব্দদূষণ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় বিআরটিএ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। সূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তর ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য:০