শিরোনাম
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় ৫ হাজারের বেশি নিখোঁজ, মৃত্যু সনদ না পাওয়ায় বিপাকে পরিবার *** রসায়নে ২০২৬ সালের নোবেল পেলেন ফ্রান্স-জাপানের দুই বিজ্ঞানী *** শর্তহীন আলোচনায় বসতে প্রস্তুত পিটিআই, লংমার্চ চলবে ইমরানের সিদ্ধান্তে *** রুশ হামলায় কাঁপল ইউক্রেন, ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনে নিহত ২৮ *** ভোটার তালিকা নিয়ে বিক্ষোভ: দিল্লিতে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক, দুই ঘণ্টা পর মুক্ত ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।| |ক্রেডিট : ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, রামপালে ৪৬০ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পের উদ্যোগ

দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় পর্যায়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিবর্তে ৪৬০ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। পরিবেশ ও ঐতিহ্য রক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে হেলেন জেরিন খানের উত্থাপিত নোটিশের জবাব দিতে গিয়ে সরকারের বিদ্যুৎ খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, রামপালের দ্বিতীয় পর্যায়ের কয়লাভিত্তিক প্রকল্পের পরিবর্তে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় মাতারবাড়ী কোল পাওয়ার প্রকল্পের অব্যবহৃত অ্যাশ পন্ড এলাকায় ৭০ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পও নেওয়া হয়েছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পায়নের ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালে দেশের বিদ্যুতের চাহিদা ২৪ থেকে ২৫ হাজার মেগাওয়াট হতে পারে। এই বাড়তি চাহিদা পূরণে আমদানিনির্ভর জ্বালানি কমিয়ে নবায়নযোগ্য উৎসকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০-এর আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। ২০৪০ সালে এই অংশ ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরিকল্পনায় ২০৩০ সালের মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট এবং ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে। এর বাইরে বায়ু, বর্জ্য, পানি, ভাসমান সোলার ও এগ্রি-ভোল্টাইকস প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আরও ৪৫০ থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আমদানি শুল্ক কমানোর পাশাপাশি করছাড়ের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় কাঠামো আমদানিতে শুল্ক ১ শতাংশ করা হয়েছে। আগামী ছয় মাস বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের যন্ত্রাংশ আমদানিতে পূর্ণ করছাড় দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। এ ছাড়া আগামী ছয় মাস বিনিয়োগকারীদের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করবে সরকার। সরকারি জমিতে পিপিপির মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ‘সরকারি জমিতে প্রকল্প উন্নয়ন নির্দেশিকা ২০২৬’ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ‘বেসরকারি অংশগ্রহণ বৃদ্ধি নীতিমালা ২০২৫’ জারি করা হয়েছে। এদিকে নেট মিটারিং গাইডলাইন, জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবসায়িক মডেল চূড়ান্ত করা হয়েছে। হুইলিং চার্জ এবং ক্রস-সাবসিডি চার্জসংক্রান্ত বিষয়গুলোও দ্রুত নিষ্পত্তির কাজ চলছে বলে সংসদে জানান প্রতিমন্ত্রী। সূত্র: সংসদে প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য





মন্তব্য