শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর, রামপালে ৪৬০ মেগাওয়াট সৌর প্রকল্পের উদ্যোগ *** বন্ধ পত্রিকা চালুর তাগিদ, সাংবাদিকদের ঐক্যের আহ্বান রাষ্ট্রপতির *** এসআরবি বিল সংসদে তোলার সুপারিশ, র‌্যাবের জনবল-অবকাঠামো কাজে লাগানোর তাগিদ *** গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি *** ডেঙ্গুতে এক দিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে আরও ১,৫৭১ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


২৭ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

মেয়রের আপত্তি উপেক্ষা করে জাতিসংঘ অধিবেশনে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন নেতানিয়াহু

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানির কড়া আপত্তি সত্ত্বেও আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফরের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, মামদানি শহরে বিভাজন, ঘৃণা এবং ইহুদিবিদ্বেষকে উৎসাহিত করছেন। রোববার (২৬ জুলাই) ফক্স নিউজের ‘সানডে মর্নিং ফিউচার্স’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘মামদানির উদ্দেশে আমার জবাব হলো, আমি নিউইয়র্কে আসব। জাতিসংঘের মঞ্চে সত্য তুলে ধরব এবং ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের পক্ষে কথা বলব।’ সম্প্রতি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি নেতানিয়াহুকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, তিনি নিউইয়র্কে স্বাগত নন। এর জবাবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, মামদানি হামাসের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলাকে পরোক্ষভাবে সমর্থন করছেন। সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু আরও দাবি করেন, মামদানির স্ত্রী ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য ৭ অক্টোবরের হামলা উদ্‌যাপন করেছিলেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। তিনি ওই হামলাকে হলোকাস্টের পর ইহুদিদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেন। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের কারণে আন্তর্জাতিক মহলে দেশটির বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ উঠলেও নেতানিয়াহু তা প্রত্যাখ্যান করেন। তার দাবি, হামাসের লক্ষ্যই ইসরায়েল ও ইহুদিদের ধ্বংস করা। তিনি বলেন, হামাস বেসামরিক মানুষের মধ্যে অবস্থান নিয়ে তাদের নিরাপদ স্থানে যেতে বাধা দেয়, ফলে প্রাণহানির দায়ও তাদের ওপর বর্তায়। নিউইয়র্ক সিটির নেতৃত্বের সমালোচনা করে নেতানিয়াহু বলেন, একজন মেয়রের দায়িত্ব সব সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করা। কিন্তু মামদানি এক সম্প্রদায়কে অন্য সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে দাঁড় করাচ্ছেন। তার মতে, এ ধরনের বক্তব্য শহরের ইহুদি বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করেছে। তিনি নিউইয়র্কের একটি সিনাগগের বাইরে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনাও উল্লেখ করেন এবং দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে মামদানির বক্তব্যের পরদিনই এ হামলা ঘটে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে কোনো সম্পর্কের প্রমাণ তিনি উপস্থাপন করেননি। এদিকে সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫১ বছর বয়সী রাউল মোরালেসের বিরুদ্ধে ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে দ্বিতীয় ডিগ্রির হত্যাচেষ্টার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ম্যানহাটনের আপার ওয়েস্ট সাইডে তিনি প্রথমে এক এশীয় ব্যক্তিকে এবং পরে একটি সিনাগগ থেকে বের হওয়া এক ইহুদি ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন। নেতানিয়াহু বলেন, নিউইয়র্ক সিটি হলের রাজনৈতিক অবস্থান তাকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে যোগ দেওয়া থেকে বিরত রাখতে পারবে না। তিনি শরতে নিউইয়র্ক সফরে গিয়ে বিশ্বমঞ্চে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কের পক্ষে বক্তব্য রাখবেন বলেও জানান। উল্লেখ্য, গত বুধবার জোহরান মামদানি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তিরই নিউইয়র্কে অবাধে চলাফেরা করা উচিত নয়। সূত্র: ফক্স নিউজ, সিএনএন।





মন্তব্য