শিরোনাম
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সামরিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা *** শি জিন পিংয়ের আমন্ত্রণে চীন সফরে যাচ্ছেন পুতিন *** টেকসই উন্নয়ন ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার *** জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রার্থিতায় ব্রাজিলের সমর্থন, ব্রিকসে অন্তর্ভুক্তির আশ্বাস *** ইউক্রেনে ত্রাণবাহী গাড়িতে ড্রোন হামলা ***




↠সিডনি ডেস্ক রিপোর্ট :


১৭ নভেম্বর, ২০২৫

স্বদেশ › রাজনীতি

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট:

মানবতাবিরোধী অপরাধ: শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের ফাঁসির রায়

জুলাই–আগস্টের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ: শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের রায় জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। একই মামলায় রাজসাক্ষীর ভূমিকা পালনকারী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য ছিলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। মামলার দুই নম্বর অভিযোগে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড ও এক নম্বর অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা আন্দোলন দমানোর উদ্দেশ্যে ড্রোন, হেলিকপ্টার ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেন ও বাস্তবায়ন করেন, যা সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির আওতায় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি সরাসরি এই নির্দেশ পালন করেছেন বলেও আদালত মন্তব্য করেন। রায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এএসএম মাকসুদ কামাল, সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপের বিবরণ, কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং বিভিন্ন স্থানে প্রাণঘাতী গুলি চালানোর ঘটনা তুলে ধরা হয়। আদালত জানায়, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত ঘটনাবলীর অডিও–ভিডিও, সাক্ষীর বিবৃতি ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রিপোর্টের তথ্য বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার, আশুলিয়া ও রংপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় গুলি চালিয়ে হত্যার ঘটনার প্রমাণও রায়ে উল্লেখ করা হয়। রায় ঘোষণার কার্যক্রম সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হয় এবং পুরো প্রক্রিয়া বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও দেশের অন্যান্য প্রচার মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।





মন্তব্য