শিরোনাম
কঠিন পরীক্ষা উতরে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, এবার ইংল্যান্ডকে সামনে দেখছেন মেসি *** নাইজেরিয়ায় সেনা অভিযানে ৩০০-এর বেশি সশস্ত্র ডাকাত নিহত *** জাহাজে হামলা বন্ধের নিশ্চয়তা ছাড়া ছাড় দেবে না যুক্তরাষ্ট্র *** তথাকথিত ‘দক্ষিণ চীন সাগর সালিশি রায়’ মানে না চীন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় *** কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে চীন-উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনা ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


৯ জুলাই, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:মাদ্রাসার ওপর পাহাড় ধস| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

মাদ্রাসার ওপর পাহাড় ধস, উখিয়ায় প্রাণ গেল ৮ জনের

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে টানা বর্ষণের মধ্যে ভয়াবহ পাহাড় ধসে একটি মাদ্রাসা ও হিফজ কেন্দ্র মাটিচাপা পড়ে ৭ শিশুশিক্ষার্থীসহ মোট ৮ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৭ জন। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৩ ব্লকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ভারী বৃষ্টির সময় হঠাৎ বিকট শব্দে পাহাড়ের বিশাল একটি অংশ ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই মাদ্রাসা ও হিফজ কেন্দ্রটি মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়। সে সময় সেখানে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করছিল। ধসের পর ভেতরে আটকে পড়া শিশুদের আর্তচিৎকারে পুরো ক্যাম্পে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকরা খালি হাতে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান জোরদার করেন। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ৭ জন শিশুশিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত অন্তত ২৭ জনকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কক্সবাজার সদর হাসপাতাল এবং বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন। তাই উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজও চলছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, আটকে পড়াদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি টানা বৃষ্টির কারণে উখিয়া ও টেকনাফের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধসের আশঙ্কা থাকায় সেসব এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র: শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি), ফায়ার সার্ভিস, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, উখিয়া থানা





মন্তব্য