শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


২ আগস্ট, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

মাদক ও যৌতুকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

সমাজ থেকে যৌতুক ও মাদকের মতো ক্ষতিকর ব্যাধি দূর করতে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি পারিবারিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা জোরদার না হলে এসব সমস্যা পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে এলজিইডি ভবনের মিলনায়তনে আঞ্জুমানে রজরিয়া ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত ‘যৌতুক ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন অন্য কারও মাধ্যমে নয়, বরং নিজের চিন্তাভাবনা, আচরণ ও পারিবারিক চর্চার মধ্য দিয়েই শুরু করতে হবে। যৌতুক প্রথা এখনও বহু নারীর জীবনে নির্যাতন ও অমানবিকতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই প্রত্যেক পরিবারকে এ বিষয়ে আপসহীন অবস্থান নিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা নিজেদের কন্যার জন্য যেভাবে মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সম্মান প্রত্যাশা করি, একই দৃষ্টিভঙ্গি পুত্রবধূর ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করতে পারলে যৌতুকের সামাজিক সংস্কৃতি দুর্বল হয়ে পড়বে। নৈতিক শিক্ষা কেবল বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তা পারিবারিক জীবনে বাস্তবায়নেরও আহ্বান জানান তিনি। মাদকের প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন বলেন, মাদক যুবসমাজকে বিপথে ঠেলে দিয়ে পরিবার ও সমাজকে অস্থির করে তুলছে। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক মূল্যবোধের যে অবক্ষয় তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে স্থানীয় পর্যায়ে শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, অপরাধী যদি নিজের পরিবারের সদস্যও হন, তবুও সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে তাকে আইনের আওতায় আনতে দ্বিধা করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, আধুনিক যোগাযোগমাধ্যমের যথাযথ ব্যবহার করে যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, বেতার, টেলিভিশন ও পথনাটকের পাশাপাশি ধর্মীয় সমাবেশ, ওয়াজ মাহফিল এবং জুমার খুতবায় এ বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এ ক্ষেত্রে আলেম-ওলামা, শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মু.জি.আ.)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বিশিষ্ট আলেম-ওলামা এবং স্থানীয় সামাজিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।





মন্তব্য