১৫ জুলাই, ২০২৬
স্বদেশ › স্বদেশ

চিত্র:বুধবার (১৫ জুলাই) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ পরিচালকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল (জুম) সভায় যুক্ত হয় প্রতিমন্ত্রী।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট
দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও পরিকল্পিত ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা ও খামারিদের একটি সমন্বিত জাতীয় তালিকা বা ডাটাবেজ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে খামারিদের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করে তাদের সমস্যা চিহ্নিত করা এবং বাস্তবভিত্তিক নীতি প্রণয়ন সহজ হবে। বুধবার (১৫ জুলাই) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ পরিচালকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল (জুম) সভায় যুক্ত হয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিভাগীয় পরিচালক থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে সারা দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা এবং খামারিদের তথ্য সংগ্রহ করে একটি জাতীয় ডাটাবেজ গড়ে তোলা হবে। এই তথ্যভাণ্ডার ভবিষ্যতে খাতটির উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ, সমস্যা নির্ণয় এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষিত তরুণরা আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে খামার পরিচালনায় যুক্ত হলে উৎপাদনশীলতা যেমন বাড়বে, তেমনি কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে দেশের খাদ্য নিরাপত্তাও আরও শক্তিশালী হবে। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত খামারে প্রয়োজন অনুযায়ী সার, খাদ্য ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়, ফলে উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং লাভজনকতা বাড়ে। বিপরীতে অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত উপকরণ ব্যবহারের কারণে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়ে খামারিরা আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, উদ্যোক্তাদের তালিকা প্রস্তুতের পর বিভাগভিত্তিক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হবে। এসব সভায় খামারিদের সমস্যা, সম্ভাবনা, প্রতিবন্ধকতা ও করণীয় বিষয়ে সরাসরি মতামত নেওয়া হবে, যা ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও নীতিনির্ধারণে সহায়ক হবে। তিনি বলেন, সরকার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশনা দেন তিনি। সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইমাম উদ্দীন কবীর, অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. মো. বয়জার রহমান, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আবুবকর সরকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিভাগীয় পরিচালকরা ভার্চুয়ালি সভায় অংশ নেন। সূত্র: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
মন্তব্য:০