শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান নিয়ে চলছে সমীক্ষা, সিদ্ধান্ত পরে *** ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ৬৭২ *** মাতারবাড়ীতে বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


১০ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:যুক্তরাজ্যের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে বার্নহাম| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

লেবার পার্টির নেতৃত্বে বার্নহাম, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দ্বারপ্রান্তে

যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির নতুন নেতা এবং দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছেন অ্যান্ডি বার্নহাম। দলীয় এমপিদের বিপুল সমর্থন পাওয়ায় তিনি কার্যত নেতৃত্বের দৌড়ে একক অবস্থানে চলে এসেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী না এলে আগামী সপ্তাহেই তাকে লেবার পার্টির নেতা ঘোষণা করা হতে পারে। এরপর ২০ জুলাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দলীয় মনোনয়নের প্রথম ধাপের ভোটে ৪০৩ জন লেবার এমপির মধ্যে ৩২২ জন বার্নহামের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিযোগিতার বাইরে রাখতে প্রয়োজন ৩২৩ জন এমপির সমর্থন। অর্থাৎ তিনি সেই লক্ষ্য থেকে মাত্র একটি সমর্থন দূরে রয়েছেন। কয়েকজন এমপি জানিয়েছেন, পার্লামেন্টে ফিরে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বার্নহামকে সমর্থন জানাবেন। ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র বার্নহাম সম্প্রতি মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে আবারও পার্লামেন্টে ফেরেন। তার রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনকে যুক্তরাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনীতির অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এক বিবৃতিতে বার্নহাম বলেন, দলীয় এমপিদের বিপুল সমর্থন প্রমাণ করে ব্রিটেনের রাজনীতিতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন রয়েছে। তিনি ক্ষমতার কেন্দ্র ওয়েস্টমিনস্টারের বাইরে স্থানীয় সরকার ও জনগণের হাতে আরও বেশি ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি দেশের সব অঞ্চলে সমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন। গত মে মাসে স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফল এবং মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে বার্নহামের জয়কে ঘিরে তৎকালীন নেতা কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে বার্নহাম এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার দিনই স্টারমার দলীয় নেতৃত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় থাকতে আগামী বুধবারের মধ্যে অন্তত ৮১ জন এমপির সমর্থন প্রয়োজন। তবে বার্নহাম প্রয়োজনীয় ৩২৩টি সমর্থন পেয়ে গেলে অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে সেই সংখ্যা অর্জন করা সম্ভব হবে না। একই সঙ্গে লেবার পার্টির সঙ্গে যুক্ত ৩১টি সমাজতান্ত্রিক সংগঠন ও ট্রেড ইউনিয়নের মধ্যে অন্তত তিনটির সমর্থনও তাকে নিতে হবে, যা আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০১০ ও ২০১৫ সালে নেতৃত্ব নির্বাচনে পরাজিত হওয়া বার্নহাম এবার প্রায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেতৃত্বের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আল কার্নস প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানোয় তার পথ আরও সহজ হয়েছে। ইতোমধ্যে বার্নহাম তার ভবিষ্যৎ সরকারের কিছু অগ্রাধিকারের কথাও জানিয়েছেন। তিনি ম্যানচেস্টারে একটি নতুন ‘নম্বর ১০’ ইউনিট স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে আবাসন ও পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা বাড়ানো যায়। এছাড়া পানি ও জ্বালানি খাতে জনগণের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। গাজা যুদ্ধ নিয়ে লেবার পার্টির আগের অবস্থানের জন্য দুঃখ প্রকাশের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা খাতে টেকসই বিনিয়োগ বৃদ্ধিরও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। সূত্র: বিবিসি





মন্তব্য