শিরোনাম
মাউন্ট মিঝিরগিতে বরফধস, নিহত ১১ পর্বতারোহী *** উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে ওয়াশিংটনের নীতিবদল, নিজস্ব প্রতিরক্ষায় সিউল *** ইস্টার্ন ইকনোমিক ফোরামে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নে চীনের নতুন প্রস্তাব *** জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় চীন-নেপালের যৌথ উদ্যোগের আহ্বান *** ‘যতক্ষণ আশার ক্ষীণ আলো থাকবে, চীন কখনও হাল ছাড়বে না’: সিচাংয়ে উদ্ধারকাজ ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট :


৪ জুলাই, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মৎস্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা| |ক্রেডিট : ছবি: সংগৃহীত

কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সমন্বিত কৃষি কার্ড চালু হবে: কৃষিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। কৃষি কার্ডের মাধ্যমে উৎপাদন, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও বাজার ব্যবস্থাপনাকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে প্রকৃত কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষিত করা হবে। শনিবার (৪ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে মৎস্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ সভার আয়োজন করা হয়। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার বিশ্বাস করে, কৃষক অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলে জাতীয় অর্থনীতিও আরও মজবুত হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার আওতায় এনে উৎপাদন বৃদ্ধি, কার্যকর বিপণন এবং কৃষকের আয় নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, সরকার ঘোষিত নীতি ও কর্মপরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। সরকারের কাজের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করতে না পারলে জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে। দায়িত্বশীলতা, আন্তরিকতা ও দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। মন্ত্রী আরও বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। তিনি জানান, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই সেচব্যবস্থা গড়ে তুলতে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে খালের পানি ব্যবহারে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের সব কৃষককে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজের আওতায় আনতে কৃষি কার্ড কার্যক্রম চালু হয়েছে। পাইলট প্রকল্প সফল হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও অন্যান্য কৃষকদের এ ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষক শনাক্তকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা সরাসরি বিতরণ, উৎপাদন পরিকল্পনা এবং কৃষিপণ্যের বাজার ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। তিনি বলেন, দেশের উর্বর ভূমি, অনুকূল জলবায়ু ও প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও শক্তিশালী করা হবে। কৃষকের সমৃদ্ধিই দেশের সমৃদ্ধির ভিত্তি—এই লক্ষ্যেই সরকার কৃষিবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সভায় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





মন্তব্য