১৯ জুলাই, ২০২৫
কমিউনিটি › শিক্ষা
চিত্র:palm visa| |ক্রেডিট : সিডনি বাংলা নিউজ
কে আবেদন করতে পারবেন: এই ভিসা মূলত বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিক, বিশেষ করে যারা কৃষি বা পশুপালনের সাথে যুক্ত এবং অস্ট্রেলিয়ার সরকারের PALM (Pacific Australia Labour Mobility) স্কিমের আওতায় যোগ্য বিবেচিত হন, তাদের জন্য প্রযোজ্য। মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত কৃষি শ্রমিকরাও যদি এই শর্ত পূরণ করতে পারেন, তারাও বিবেচিত হতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ: সরাসরি "কৃষি ভিসা" নামে কোনো উন্মুক্ত স্কিম নেই যেখানে ব্যক্তিরা নিজ উদ্যোগে আবেদন করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণভাবে নিয়োগকর্তা-স্পনসরড একটি প্রোগ্রাম। বিস্তারিত: "অস্ট্রেলিয়ার কৃষি ভিসা" নিয়ে বাংলাদেশে অনেক ভুল তথ্য ও প্রতারণার ফাঁদ দেখা যায়। অনেকে সহজ উপায়ে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার প্রলোভন দেখায়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ান সরকার তাদের নির্দিষ্ট 'কৃষি ভিসা প্রোগ্রাম' বাতিল করেছে। বর্তমানে কৃষিক্ষেত্রে কাজ করার মূল পথ হলো Pacific Australia Labour Mobility (PALM) স্কিম। PALM স্কিম মূলত প্যাসিফিক দ্বীপপুঞ্জের দেশগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশের মতো কিছু নির্বাচিত দেশের জন্য তৈরি। এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার নিয়োগকর্তারা মৌসুমী বা দীর্ঘমেয়াদী কৃষি কাজের জন্য বিদেশি শ্রমিক আনতে পারেন। এই স্কিমের অধীনে শ্রমিকদের সরাসরি আবেদন করার কোনো সুযোগ নেই; নিয়োগকর্তাদের মাধ্যমে এবং বাংলাদেশ সরকারের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার আওতায় এটি পরিচালিত হয়। শর্তাবলী ও যোগ্যতা: PALM স্কিমের মাধ্যমে আবেদন: বাংলাদেশ থেকে সরাসরি এই স্কিমের জন্য আবেদন করা যায় না। বরং, অস্ট্রেলিয়ার নিবন্ধিত নিয়োগকর্তাদের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়, যারা বাংলাদেশ সরকারের নির্দিষ্ট পদ্ধতির মাধ্যমে শ্রমিক নিয়োগ করেন। শ্রমিকদের সরাসরি আবেদন করার কোনো সুযোগ নেই। ইংরেজি ভাষার দক্ষতা: কিছু ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রয়োজন হয়, যা কাজের ধরন এবং নিয়োগকর্তার চাহিদার ওপর নির্ভরশীল। তবে খুব উচ্চ দক্ষতার প্রয়োজন নাও হতে পারে। শারীরিক সক্ষমতা: কৃষিকাজের জন্য শারীরিক সক্ষমতা আবশ্যক। স্বাস্থ্য ও চারিত্রিক সনদ: আবেদনকারীকে অবশ্যই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে এবং কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা যাবে না। কর্মসংস্থানের প্রস্তাব: অস্ট্রেলিয়ার একজন বৈধ নিয়োগকর্তার কাছ থেকে কাজের প্রস্তাব থাকা অত্যাবশ্যক। নিয়োগকর্তাই ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: বৈধ পাসপোর্ট। জাতীয় পরিচয়পত্র। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কাজের অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে)। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট। অস্ট্রেলিয়ান নিয়োগকর্তার কাছ থেকে প্রাপ্ত কাজের প্রস্তাবপত্র। নির্দিষ্ট ভিসা আবেদন ফর্ম (নিয়োগকর্তা দ্বারা পূরণকৃত)। প্রয়োজনে ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রমাণপত্র। বয়সসীমা: সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো কঠোর বয়সসীমা না থাকলেও, কর্মক্ষেত্রে সক্রিয় থাকার জন্য উপযুক্ত বয়স (১৮-৫০ বছর) বিবেচনা করা হয়। খরচ: সাধারণত, PALM স্কিমের অধীনে নিয়োগকর্তাই বেশিরভাগ খরচ বহন করেন, যেমন - ভিসা ফি, বিমান ভাড়া ইত্যাদি। তবে কিছু আনুষঙ্গিক খরচ আবেদনকারীর নিজস্ব হতে পারে।
মন্তব্য:০