শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর সম্ভাব্য স্থান নিয়ে চলছে সমীক্ষা, সিদ্ধান্ত পরে *** ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ৬৭২ *** মাতারবাড়ীতে বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ *** জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


২৫ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক › আন্তর্জাতিক

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:করাচিতে এইচআইভি সংক্রমণ| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

করাচিতে শিশুদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ছে, আতঙ্কে অভিভাবকরা

পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে শিশুদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কয়েক মাসের ব্যবধানে শহরের দুটি হাসপাতালে শতাধিক শিশুর শরীরে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার ঘটনায় দেশটির স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি করাচির ‘সোশ্যাল সিকিউরিটি লান্ধি হাসপাতালে’ অন্তত ১৫টি শিশুর শরীরে এইচআইভি পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের বয়স ৪ মাস থেকে ৮ বছরের মধ্যে। হাসপাতালের নথিতে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে চারজন, ফেব্রুয়ারিতে দুজন, মার্চে একজন, এপ্রিলে পাঁচজন এবং মে মাসে তিনজন শিশুর শরীরে এইচআইভি সংক্রমণ ধরা পড়ে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এসব সংক্রমণের তথ্য কয়েক মাস ধরে প্রকাশ করা হয়নি। ফলে এই সময়ের মধ্যে আরও অনেক শিশু আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। সংক্রমণের প্রকৃত পরিধি নির্ণয়ে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এর আগে একই শহরের ‘কুলসুম বাই ভালিকা হাসপাতালে’ প্রায় ১০০ শিশুর শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছিল। তাদের মধ্যে অন্তত ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরপর দুটি হাসপাতালে এমন ঘটনা সামনে আসায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। জানা গেছে, সামাজিক কুসংস্কার, নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং লোকলজ্জার কারণে আক্রান্ত শিশুদের অনেক পরিবার বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে চাইছেন না। এতে আক্রান্তদের সঠিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আক্রান্ত এক শিশুর বাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় জানান, সন্তানের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয়বহুল ওষুধ কেনার সামর্থ্য তার নেই। তিনি সরকারের কাছে জরুরি আর্থিক সহায়তা ও চিকিৎসা সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। এদিকে, একের পর এক হাসপাতালে শিশুদের এইচআইভি সংক্রমণের তথ্য প্রকাশ পেলেও পাকিস্তানের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। সংক্রমণের উৎস কী, এটি চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত কোনো ত্রুটির ফল কি না, অথবা এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে কিনা—এসব প্রশ্নেরও এখনো কোনো স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।





মন্তব্য