৪ জুলাই, ২০২৬
খেলা › আন্তর্জাতিক:

চিত্র:শ্বাসরুদ্ধকর এই জয়ের পর আর্জেন্টিনা।| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই অবিশ্বাস্য লড়াই উপহার দিল কেপ ভার্দে। তবে শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে আত্মঘাতী এক গোলের দুর্ভাগ্যে ৩-২ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে আফ্রিকার নবাগত দলটিকে। কঠিন এই জয়েই বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে লিওনেল মেসির দল। ম্যাচের শুরুতে আর্জেন্টিনা বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করলেও কেপ ভার্দে ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে। ২৯তম মিনিটে লিসান্দ্রো মার্তিনেসের লম্বা পাস থেকে দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণ ও চিপ শটে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন মেসি। এটি তার বিশ্বকাপের ২০তম গোল এবং টানা অষ্টম বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার অনন্য রেকর্ড। প্রথমার্ধের শেষ দিকে এনজো ফার্নান্দেজের নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট হয় ভোজিনিয়ার অসাধারণ সেভে। বিরতির পর কেপ ভার্দে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। ৫৯তম মিনিটে রায়ান মেন্দেসের পাস থেকে দেরয় দুয়ার্তে সমতাসূচক গোল করেন। গোল হজমের পর আর্জেন্টিনা একের পর এক পরিবর্তন এনে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মেসির একাধিক ফ্রি-কিক ও আক্রমণ দুর্দান্ত দক্ষতায় প্রতিহত করেন অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই কর্নার থেকে লিসান্দ্রো মার্তিনেস গোল করে আর্জেন্টিনাকে আবার এগিয়ে দেন। কিন্তু ১০৩তম মিনিটে সিডনি কাবরালের দুর্দান্ত বাঁকানো শটে আবারও সমতায় ফেরে কেপ ভার্দে। গোলটি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা গোলের দাবিদার বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় ১১১তম মিনিটে। মেসির কর্নার থেকে ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর হেড কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার বোর্হেসের হাতে লেগে দিক বদলে জালে ঢুকে যায়। আত্মঘাতী সেই গোলই শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে স্বস্তির জয় এনে দেয়। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় কেপ ভার্দে। তবে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দুর্দান্ত দুটি সেভ তাদের সমতায় ফিরতে দেয়নি। শ্বাসরুদ্ধকর এই জয়ের পর আগামী ৭ জুলাই শেষ ষোলোয় মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।
মন্তব্য:০