৯ জুলাই, ২০২৬
খেলা › আন্তর্জাতিক:

চিত্র:হলুদ কার্ডের ঝুঁকিতে সতর্ক থাকতে হবে ১৮ তারকাকে| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট
৪৮ দলের বিশ্বকাপ এখন শেষ আটের লড়াইয়ে। একদিনের বিরতির পর বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের মহারণ। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই পর্বে মাঠে নামার আগে বড় দুশ্চিন্তায় রয়েছে কয়েকটি দল। কারণ, কোয়ার্টার ফাইনালে অংশ নেওয়া আট দলের অন্তত ১৮ জন ফুটবলার একটি করে হলুদ কার্ড নিয়ে খেলতে নামছেন। এ ম্যাচে আবারও সতর্কবার্তা পেলে দল সেমিফাইনালে উঠলেও তারা পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন না। এই তালিকায় রয়েছে বিশ্বকাপের শিরোপাপ্রত্যাশী আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রাও। সবচেয়ে বেশি চাপের মধ্যে আছে ইংল্যান্ড ও মরক্কো। দুই দলেরই চারজন করে ফুটবলার নকআউট পর্বে একটি করে হলুদ কার্ড পেয়েছেন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এ ছাড়া ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডের তিনজন করে ফুটবলার, স্পেন, বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনা ও নরওয়ের একজন করে খেলোয়াড়ও একই ঝুঁকিতে রয়েছেন। একটি হলুদ কার্ডই তাদের সেমিফাইনাল থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে হলুদ কার্ডের নিয়মে পরিবর্তন আনে ফিফা। ৪৮ দলের আসরে নকআউট পর্বে একটি অতিরিক্ত রাউন্ড যুক্ত হওয়ায় আগের নিয়ম বহাল থাকলে শীর্ষ দলগুলোর গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের সেমিফাইনালের মতো বড় ম্যাচে নিষিদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেত। সেই বিবেচনায় গ্রুপ পর্ব শেষে সব হলুদ কার্ডের হিসাব বাতিল (রিসেট) করা হয়েছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, নকআউট পর্বে দুটি ভিন্ন ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পেলে সংশ্লিষ্ট ফুটবলার স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হবেন। তাই শেষ ৩২ বা শেষ ষোলোর ম্যাচে যারা একটি হলুদ কার্ড পেয়েছেন, তারা কোয়ার্টার ফাইনালে আবার কার্ড দেখলে সেমিফাইনালে খেলতে পারবেন না। তবে কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে হলুদ কার্ডের হিসাব আবার নতুন করে শুরু হবে। ফলে হলুদ কার্ডের কারণে কোনো খেলোয়াড় ফাইনাল থেকে নিষিদ্ধ হবেন না। তবে সেমিফাইনালে কেউ লাল কার্ড দেখলে তিনি ফাইনালে খেলতে পারবেন না। এছাড়া গুরুতর অসদাচরণের ঘটনায় ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞাও দিতে পারে। সূচি অনুযায়ী, ৯ থেকে ১২ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনাল, ১৪ ও ১৫ জুলাই সেমিফাইনাল, ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এবং ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। সূত্র: ফিফা ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া গণমাধ্যম
মন্তব্য:০