১০ জুলাই, ২০২৬
স্বদেশ › স্বদেশ

চিত্র:রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদ। ফাইল ছবি| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দ্রুত বেড়েছে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর। এতে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (কপাবিকে) পাঁচটি ইউনিটই পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে এবং উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্র জানায়, শুষ্ক মৌসুমে পানির স্বল্পতার কারণে চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত এক বা দুটি ইউনিট চালু রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছিল। তবে হ্রদে পানির প্রবাহ বাড়তে থাকায় গত ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা থেকে কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিট একযোগে চালু করা হয়। ওই দিন কেন্দ্রটি থেকে মোট ১৪৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। কপাবিকের ব্যবস্থাপক (প্রকৌশল) মাহমুদ হাসান জানান, গত এক সপ্তাহের টানা বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে পানি নির্ভর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা আরও বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কেন্দ্র থেকে ১৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে। তিনি জানান, বর্তমানে ১ ও ২ নম্বর ইউনিট থেকে ৪২ মেগাওয়াট করে মোট ৮৪ মেগাওয়াট, ৩ নম্বর ইউনিট থেকে ৩৫ মেগাওয়াট এবং ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট থেকে ৩০ মেগাওয়াট করে মোট ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২৪০ মেগাওয়াট। কপাবিকের কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ৯০ দশমিক ৩১ ফুট (মিন সি লেভেল)। অথচ এ সময় রুল কার্ভ অনুযায়ী পানির স্তর থাকার কথা ছিল ৮৫ দশমিক ৪৪ ফুট। অর্থাৎ নির্ধারিত মানের তুলনায় হ্রদে পানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানিধারণক্ষমতা ১০৮ ফুট (মিন সি লেভেল)। আগামী দিনগুলোতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পানির স্তর আরও বাড়তে পারে। সে অনুযায়ী পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সূত্র: কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র (কপাবিকে)
মন্তব্য:০