শিরোনাম
সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই’ স্মরণে বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার দোয়া ও আলোচনা সভা *** চীনে এআই ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে *** সিরামিক শিল্পের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান *** বিশ্বমঞ্চে প্রথমবারেই চমক, নিউক্লিয়ার অলিম্পিয়াডে চীনের ৪ পদক *** ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে নতুন প্রতিরক্ষা বলয়, সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের কৌশলগত জোট ***




↠সিডনি-বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট:


১৯ জুলাই, ২০২৬

স্বদেশ › স্বদেশ

মন্তব্য:০

News Picture

চিত্র:ইত্তেফাক কোলাজ| |ক্রেডিট : ইন্টারনেট

জিয়া হত্যা মামলার পলাতক আসামি মোজাফফরকে নিয়ে তদন্তে নতুন গতি

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক আসামি সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তারের পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং মামলার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। একাধিক সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে তাকে প্রশ্ন করা হচ্ছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্টরা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা, ঘটনাক্রম এবং পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য যাচাইয়ের চেষ্টা করছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যগুলো স্পর্শকাতর হওয়ায় সেগুলো এখনই গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হচ্ছে না। বর্তমানে তাকে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ ইউনিটের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। মোজাফফরকে গ্রেপ্তারের পর মামলার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকদের একটি অংশ। তাদের মতে, তিনি যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে মামলার পলাতক আসামি ছিলেন এবং ঘটনার সময় সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা ছিলেন, তাই তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব তথ্যের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সেনা আইনে পলাতক হিসেবে তালিকাভুক্ত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা আইনসম্মত। তার ভাষ্য, প্রয়োজন হলে যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার বিভিন্ন দিক উদঘাটনের চেষ্টা করা যেতে পারে। সাবেক আইজিপি আব্দুল কাইয়ুমের মতে, জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য পরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, মেজর (অব.) মোজাফফরের কাছ থেকে তদন্তে সহায়ক তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মোজাফফর হোসেন পলাতক ছিলেন এবং সেনা আইনে তাকে পলাতক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর সম্প্রতি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রাজধানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে তাকে ঘিরে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল। সূত্র: যুগান্তর





মন্তব্য